fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পর্যায়ক্রমে পর্যটন শিল্পের দ্বার খোলা হোক, আর্জি পর্যটন ব্যবসায়ীদের

কৃষ্ণা দাস শিলিগুড়ি: করোনা আবহে মুখ থুবরে পড়া পর্যটন শিল্প ঘুরে দাড়াবার লক্ষ্যে দ্বার খুলে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে গোটা রাজ্যের পাশাপাশি শিলিগুড়িতেও পর্যটন ব্যবসায়ীয়া ধর্ণার পথ অবলম্বন করে। সরকার ও জনসাধারণের কাছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের বার্তা করোনা আবহে সরকারী সমস্ত রকম সামাজিক স্বাস্থ্য বিধি মেনে পর্যটন ব্যবসায়ীরা পরিসেবা দিতে সব দিক দিয়ে প্রস্তুত। সরকার থেকে তাই পর্যায়ক্রমে পর্যটন শিল্পের দ্বার উদ্ঘাটন করে দেওয়া হোক।

মঙ্গলবার শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে হিমালয়ান হসপিটালিটি এন্ড ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের তরফে শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে একটি কর্মসূচি নেওয়া হয়। প্রথমে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির অকাল প্রয়ানে তার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে দু মিনিট নিরবতা পালন করার পর প্রতিকি অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। যদিও কেন্দ্র ও রাজ্যের বিরুদ্ধে তাদের কোনো অভিযোগ নেই বলে তারা জানান। তাদের আবেদন যেখানে ধীরে ধীরে আনলক চার পর্বে প্রায় সমস্ত কিছু খুলে দেওয়া হয়েছে সেখানে এই পর্যটন শিল্পটাকেও খুলে দেওয়া হোক। না হলে আগামী দিনে পর্যটন শিল্প মুখ থুবরে পড়বে। বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বে। হিমালয়ান হসপিটালিটি এন্ড ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের তরফে সম্রাট সান্যাল বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে করোনা আবহে পর্যটন কেন্দ্রগুলে বন্ধ রয়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর ফলে পর্যটন ব্যবসার পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্রীক যে সমস্ত ব্যবসাগুলো রয়েছে গাড়ির ব্যবসা সহ হোটেল, রেস্তোরাঁ সবকিছুই বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এখন আনলক চার পর্বে যেখানে প্রায় সব কিছুর ক্ষেত্রেই শিথিল করা হচ্ছে সেখানে পর্যটন শিল্পকে কেন খোলা হচ্ছে না। তার আবেদন, “আমরা চাই কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার দুই সরকারই সিদ্ধান্ত নিক কিভাবে এক একটা পর্যায়ে পর্যটন শিল্পকে খোলা যায়।” তার মতে এখনও যদি পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয় তাহলেও হয়ত পর্যটন ব্যবসায়ীরা একটু হলেও ঘুরে দাড়াতে পারবে না হলে পর্যটন শিল্প একেবারেই মুখ থুবরে পড়বে। অ্যাসোসিয়েশান অফ কনজারভেন্স টুরিজমের আহ্বায়ক রাজ বাসু বলেন, “গত বছরের তুলনায় এ বছর পর্যটন ব্যবসা ৭৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামনেই পুজো ও বড়দিন রয়েছে। এখনও পর্যটন শিল্প খোলা হচ্ছে না। আমরা কোনো দীশা দেখতে পাচ্ছি না। যেখানে অফিস, আদালত, পরীক্ষা, যানবাহন সবই ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হচ্ছে। যেখানে আমার ১০ শতাংশ মানুষকে চাকরী দিচ্ছি। যেখানে আমরা ১০ শতাংশ কর দিচ্ছি। সেখানে পর্যটন শিল্পকে কেন খোলা হচ্ছে না? কেন মনে করা হচ্ছে পর্যটন শিল্প করোনার বাহক? তিনি বলেন, “করোনা আবহে মানুষ যেন বন্দীদশা দিন কাটাচ্ছে। শারিরীক ও মানসিকভাবে সুস্থ হতে হলে মানুষের বের হওয়া প্রয়োজন। না হলে মানুষ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। তিনি জানান করোনা আবহে সমস্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে পরিসেবা দেওয়ার জন্য সকলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আমরা সব দিক দিয়ে প্রস্তুত। “

Related Articles

Back to top button
Close