fbpx
দেশহেডলাইন

কৃষি বিলের বিরোধিতা, ইন্ডিয়া গেটে আগুনে পুড়ল ট্র্যাক্টর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে কৃষি বিল নিয়ে বিক্ষোভ অব্যাহত। গতকালই রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সাক্ষর করে দিয়েছে এই তিন নয়া বিলে। যার ফলে আইনে পরিণত হয়ে গিয়েছে নয়া কৃষি বিল। তবে এরপরে দেশজুড়ে অব্যাহত বিক্ষোভ।উত্তর থেকে দক্ষিণ, একাধিক রাজ্যে বিক্ষোভ হলেও তার সবথেকে বেশি প্রভাব পড়েছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানায়। এও আঁচ পৌঁছেছে দিল্লিতেও। আজ সকালে দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের সামনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল একটি ট্র্যাক্টরে। চারপাশে কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে রাজধানী দিল্লির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান ইন্ডিয়া গেটের সামনে দাউ দাউ করে আগুনে জ্বলতে থাকে ট্র্যাক্টরটি। কৃষি বিলের বিরোধিতায় প্রতিবাদ প্রদর্শন করেই এই ট্র্যাক্টরটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল কর্মীরা। আগুনে পুড়ে যাওয়া ট্র্যাক্টরটিকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ।

প্রসঙ্গত, রবিবার তিনটি বিলে স্বাক্ষর করে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এর আগের রবিবার সংসদে পাশ হয় বিল তিনটি। এই বিলের প্রতিবাদে দেশজুড়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বিশেষ করে পঞ্জাব এবং হরিয়ানার কৃষকরা বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করে তুলেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, এদিন সকাল ৭টা ১৫ থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে দিল্লি গেটের সামনে জড়ো হন ১৫ থেকে ২০ জন বিক্ষোভকারী। তাঁরাই একটি পুরনো ট্রাক্টরে আগুন ধরিয়ে দেন। আন্দোলনরত কৃষকরা কংগ্রেসি স্লোগান তোলে বলেও পুলিশ সূত্রে খবর। তিনটি কৃষি বিলের বিরুদ্ধে সারা দেশে জুড়েই চলছে বিক্ষোভ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি উত্তাল হরিয়ানা ও পঞ্জাব। ‘অত্যাবশ্যক পণ্য আইন’ সংশোধন, ‘কৃষি পণ্য লেনদেন ও বাণিজ্য উন্নয়ন’ এবং ‘কৃষিপণ্যের দাম নিশ্চিত করতে কৃষকদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন চুক্তি’ সংক্রান্ত বিলে রাষ্ট্রপতি সাক্ষর করার পর থেকেই আন্দোলন আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিতে শুরু করেছে। বিক্ষোভকারী কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। স্বাধীনতা সংগ্রামী শহিদ ভগত সিং-এর পৈতৃক গ্রাম খটকার কালনে আজ বিক্ষোভে সামিল হবেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, এদিন সকাল ৭টা ১৫ থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে দিল্লি গেটের সামনে জড়ো হন ১৫ থেকে ২০ জন বিক্ষোভকারী। তাঁরাই একটি পুরনো ট্রাক্টরে আগুন ধরিয়ে দেন। আন্দোলনরত কৃষকরা কংগ্রেসি স্লোগান তোলে বলেও পুলিশ সূত্রে খবর। তিনটি কৃষি বিলের বিরুদ্ধে সারা দেশে জুড়েই চলছে বিক্ষোভ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি উত্তাল হরিয়ানা ও পঞ্জাব। ‘অত্যাবশ্যক পণ্য আইন’ সংশোধন, ‘কৃষি পণ্য লেনদেন ও বাণিজ্য উন্নয়ন’ এবং ‘কৃষিপণ্যের দাম নিশ্চিত করতে কৃষকদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন চুক্তি’ সংক্রান্ত বিলে রাষ্ট্রপতি সাক্ষর করার পর থেকেই আন্দোলন আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিতে শুরু করেছে। বিক্ষোভকারী কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। স্বাধীনতা সংগ্রামী শহিদ ভগত সিং-এর পৈতৃক গ্রাম খটকার কালনে আজ বিক্ষোভে সামিল হবেন তিনি।

কেন্দ্রের কৃষি বিল বিতর্কের মূলে এমএসপি। বর্তমানে ২২টি কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) দেয় সরকার। রাজ্য নিয়ন্ত্রিত এপিএমসি মান্ডিতে সরকার নির্ধারিত এই দামে কৃষিপণ্য বিক্রি করতে পারেন চাষিরা। এর ফলে চাষে ক্ষতি হলে বা অতি উৎপাদনে বাজারে দাম কমলেও সরকার নির্ধারিত নিশ্চিত মূল্য পান চাষিরা। সরকারের বক্তব্য, নয়া আইনেও এমএসপি বাতিল হচ্ছে না। এমএসপি-র পাশাপাশি চাষিদের জন্য কর্পোরেট সংস্থার কাছে ফসল বিক্রির দরজাও খুলে দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে চাষিদের দরকষাকষি করে বেশি দাম পাওয়ার সুযোগ থাকবে। মধ্যস্থতাকারীদের দাপট কমবে, চাষিরা সরাসরি বিক্রির সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন:  নয়া কৃষি আইনের প্রতিবাদে আজ ধরনায় বসছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং

রবিবারও অমৃতসর- দিল্লি রেললাইনে বসে বিক্ষোভ দেখান কিষাণ মজদুর সংঘর্ষ কমিটির সদস্যরা। গত বুধবার থেকে এভাবে রেললাইনে বসেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা। পাঞ্জাবের কৃষকরা গত সপ্তাহ থেকেই রেল রোকো কর্মসূচি নিয়েছে। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এর ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের রফতানিতে সমস্যা হচ্ছে। উত্তর এবং উত্তর-মধ্যে রেলের জেনারেল ম্যানেজার রাজীব চৌধরী জানিয়েছেন, ‘এভাবে রেল রোকো আন্দোলনের ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও যাত্রীদের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। এর প্রভাব গোটা রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর পড়ছে।’

কর্নাটকে সোমবার কৃষকদের একটি সংগঠন বনধের ডাক দিয়েছে। এই বনধে সমর্থন জানিয়েছে কর্নাটকের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। সকাল থেকেই বনধ শুরু হয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় তার প্রভাব পড়েছে বলেই জানা গিয়েছে। গত সপ্তাহ ধরেই কৃষি বিলের বিরোধিতায় রাস্তায় নেমেছিলেন কৃষকরা। সংসদেও সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীরা। কিন্তু তা স্বত্ত্বেও সংসদের দুই কক্ষেই ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গিয়েছে বিল। রবিবার রাষ্ট্রপতির সইয়ের পর তা আইনে পরিণত হয়েও গিয়েছে। অবশ্য নিজেদের বিরোধিতা থেকে সরে আসতে নারাজ কৃষকরা। তাদের সঙ্গে রয়েছে বিরোধী দলগুলি। সংসদে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একটি অলিখিত জোট তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই এনডিএ জোট ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন বিজেপির সবথেকে পুরনো সঙ্গী অকালি দল। এক বিরোধী ঐক্যের ডাক দিয়েছে তারা।

Related Articles

Back to top button
Close