fbpx
দেশহেডলাইন

রাজস্থানে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, বর-কনে সমেত মৃত ৯

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্কঃ মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় বর-কনে সহ মৃত্যু হল ৯ জনের। রবিবার দুর্ঘটনাটি ঘটেছে মধ্য প্রদেশ ও রাজস্থানের মধ্যবর্তী অংশে। চম্বল নদীর ধার থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভোর পাঁচটা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। রাজ্য সরকারের তরফে মৃতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণাও করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোরের দিকে গাড়ি চালানোর সময় ক্লান্ত থাকার কারণে চালকের ঘুমে চোখ জড়িয়ে যায়। এর ফলেই এই দুর্ঘটনা। গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা চম্বলের নদীতে গিয়ে পড়ে। রাজস্থান থেকে মধ্য প্রদেশে যাচ্ছিল বরযাত্রী বোঝাই বাসটি। বর –কনে সমেত ৯ জন ছিল মারুতি গাড়িতে। সাওয়াই মাধোপুরে বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। সেখান থেকেই নববধূকে নিয়ে সকলে মধ্য প্রদেশের উজ্জয়নে ফিরছিলেন।

কোটার জেলাশাসক হরিওম মীনা জানান, রাত আড়াইটে নাগাদ বরযাত্রীর গাড়িটি রাজস্থান থেকে মধ্য প্রদেশের দিকে রওনা দেয়। ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ মধ্য প্রদেশের সীমানায় পৌঁছনোর ঠিক আগেই আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারায় গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। মৃতদের নাম অবিনাশ বাল্মীকী(২৩), কেশব (৩০), গাড়ির চালক ইসলাম খান (৩৫), কুশল (২২), শুভম (২৩), রোহিত বাল্মীকী (২২), রাহুল (২৫), বিকাশ বাল্মীকী (২৪) ও মুকেশ গোচার (৩৫)। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটও শোক প্রকাশ করেছেন।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কোটার নয়নপুরা পুলিশ স্টেশনের অধীনে থাকা একটি ব্রিজ থেকে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীচে পড়ে যায়। পুলিশের দাবি, চালকের ঘুম পেয়ে যাওয়ার কারণেই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারায়  এবং ব্রিজের রেলিং ভেঙে নীচের চম্বল নদীতে পড়ে যায়। পুলিশের কাছে সকাল ৭টা ৫০ নাগাদ খবর আসে দুর্ঘটনার। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকার্য শুরু করা হয়।

পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, নদীর প্রায় ৭-৮ ফুট গভীরে চলে গিয়েছিল গাড়িটি। উদ্ধারকার্য শুরু করা হলে প্রথমে উদ্ধার হয় সাতটি দেহ। পরে বরযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে আরও দুইজনের কথা জানা যায়। নদীতে ফের ডুবুরি নামিয়ে পরে আরও দুইজনের দেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদের উদ্ধার করে স্থানীয় এমবিএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ময়নাতদন্তের পর দেহগুলি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

Related Articles

Back to top button
Close