fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মুখ্যমন্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ কংগ্রেসের, প্রতিবাদ করতে গিয়ে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী

মিল্টন পাল, মালদা: কংগ্রেসের বিক্ষোভ সভায় মুখ্যমন্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ কংগ্রেসের। কুরুচিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ করা এক তৃণমূল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল খোদ জেলা কংগ্রেসের সভাপতি ও তাদের দলবলের বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে মালদার রতুয়া এলাকায়। ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। আহতর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে আহতর নাম শেখ আলীম (৪২)। বুধবার জেলা জুড়ে বিভিন্ন ব্লকে ছিল কংগ্রেসের ডেপুটেশন কর্মসূচি। আর রতুয়া ১ নং ব্লকের কংগ্রেসের এই ডেপুটেশন কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন কংগ্রেসের সভাপতি তথা হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক মুস্তাক আলম ও তার অনুগামীরা। অভিযোগ ডেপুটেশন দিতে এসে মুস্তাক আলাম ও কংগ্রেস কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নাম করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রতুয়া বাহারালের এক তৃণমূল কর্মী শেখ আলিম। তিনি ঘটনার প্রতিবাদ করেন। কেন অকারণে মুখ্যমন্ত্রীকে গালিগালাজ করা হচ্ছে। এ নিয়ে প্রশ্ন করলে শুরু হয়ে যায় বচসা। সেই সময় মোস্তাক আলমের নেতৃত্বে শেখ আলিমকে মারধর করা হয়। রডের আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আলিম।ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় কয়েকজন সেই তৃণমূল কর্মীকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার বিবরণ জানিয়ে রতুয়া থানায় মুস্তাক আলাম এর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তৃণমূল কর্মী শেখ আলিম।
যদিও জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোস্তাক আলাম সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।

 

তার দাবি, রতুয়া ব্লকের ডেপুটেশনে তিনি আদৌ হাজির ছিলেন না। তিনি অভিযোগ করে বলেন রতুয়ায় তৃণমূল কর্মীরা তাদের এক কংগ্রেস কর্মী আজিজ আলিকে মারধর করে।আজিজ আলী বর্তমানে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি। তার দাবি ষড়যন্ত্র করছে তৃণমূল। তৃণমূলের মালদা জেলার কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন,কংগ্রেসের পায়ের তলা থেকে জমি হারিয়ে গেছে আর সেই কারণেই গত বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আসছে একের পর এক তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা করছে।
জেলা বিজেপির সহ সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী বলেন,তৃণমূল কংগ্রেস আর কংগ্রেস তো একই দল। এক সময় কংগ্রেস দাপট ও মারধর করতো। এখন তৃণমূল কংগ্রেস করছে। ভোটের দিন যত এগিয়ে আসবে মারধর তত বাড়বে। আমরা প্রশাসন কড়া হাতে এর ব্যবস্থা নিক।  দু’পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে এ ঘটনার তদন্তে নেমেছে রতুয়া থানার পুলিশ।

Related Articles

Back to top button
Close