fbpx
হেডলাইন

দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পঞ্চায়েত দফতরের সামনে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের

মিল্টন পাল, মালদা: গ্রামের উন্নয়নের বরাদ্দ টাকায় কাজ করেনি তৃণমূলের প্রধান। আর এবার দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পঞ্চায়েত দফতরের সামনে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের। পাল্টা বিক্ষোভ করে প্রধানের অনুগামীরা। ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে। পঞ্চায়েত তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। সোমবার পুরাতন মালদার মহিষবাথানী গ্রাম পঞ্চায়েতের এই ঘটনা ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে।
জানা গিয়েছে, মহিষবাথানী এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে সারে চার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। অথচ দেখা যায় উন্নয়ন কিছুই করা হয় নি। যার ফলে গ্রামের মানুষ উন্নয়নের লেশ মাত্র পাচ্ছে নি। উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে উন্নয়ন খাতের টাকা। প্রধানের কাছে জানতে গেলে কোন সদুত্তর দিতে পারছে না। তাই এদিন বাধ্য হয়ে অঞ্চল অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূঢ়ের নেতা কর্মীরা। অন্যদিকে প্রধানের দলের সর্মথকেরা পাল্টা ঘেরাও করে পঞ্চায়েত। এলাকার তৃণমূল নেতা ঝাপপু  রাজবংশী অভিযোগ করেন ২০১৮-১৯ সালের আর্থিক বর্ষে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা পঞ্চায়েতের উন্নয়ন খাতে টাকা বরাদ্দ হয়। সেখানে ৫০শতাংশ কাজ করা হয়েছে বাকি টাকা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রেজিনা বিবি,গ্রাম পঞ্চায়েতের কিছু সদস্য নির্মাণ সহায়ক ও পঞ্চায়েত দপ্তরের কিছু কর্মীরা আত্মসাৎ করেছে। দলের বিভিন্ন জায়গায় ও প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ না হয় তারা এদিন বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে পঞ্চায়েতের প্রধান রেজিনা বিবি। তিনি বলেন, ভিত্তিহীন অভিযোগ। দলের কিছু কর্মী বিজেপি কংগ্রেসের সাথে হাত মিলিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে মালদা থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী পৌঁছায়। গোটা বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেস ও বিজেপি। কংগ্রেসের মালদা জেলার সাধারণ সম্পাদক কালী সাধন রায় বলেন,বিরোধীদের কিছু করার দরকার নাই। যে পরিমাণ কাঠমানি নিয়ে ভাগাভাগি হয়েছে এবং এই ভাগবাটোয়ারা নিয়ে যত গোলমাল। সেখানে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলী থাকবে পথে। ২০২১ সালের নির্বাচনের সময় এই দলটা কঙ্কালসারে পরিণত হবে।
বিজেপির মালদা জেলার সহ-সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,কাঠমানি আর  তোলাবাজি এটাই ঘটনার মূল লক্ষ্য।আর যখনই ভাগবাটোয়ারা ঠিকঠাক হয় না তখনই একে অপরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। ২০২১ যত এগিয়ে আসবে তত এই বিক্ষোভ হবে। তৃণমূলের মালদা জেলার কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন,কোন গ্রামের নেতা যদি নিজেকে বড় নেতা মনে করে দলকে ও দলীয় প্রধান দের হেনস্থা করার চেষ্টা করে। তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে প্রয়োজনে বহিষ্কার করে দেওয়া হবে।

Related Articles

Back to top button
Close