fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যুর তদন্ত কোনও পথে…জানাতে ডেরেক ও ব্রায়েনের নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতি ভবনে তৃণমূল

রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি.....

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের অবস্থা ও বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন  নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। তাদের হাত দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে পাঠালেন পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে।

আরও পড়ুন:হেমতাবাদে বিজেপি বিধায়কের মৃত্যু… খুন না আত্মহত্যা… প্রশ্ন এলাকাবাসীর, তদন্তে পুলিশ

ওই প্রতিনিধি দল দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যু ও তার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে কোন পথে এগোচ্ছে তার সবিস্তারে জানান রাষ্ট্রপতিকে।  প্রায় ২৫ মিনিট ধরে কথা হয় দুপক্ষের মধ্যে। রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা চিঠি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেখানে তদন্ত কোন পথে কতটা স্বচ্ছতার সঙ্গে এগোচ্ছে এবং কী কী তথ্য সেই তদন্তের মাধ্যমে উঠে এসেছে তা লিখে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুর পর থেকেই সিবিআই তদন্ত চেয়ে আসছে। যদিও এই বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন:হেমতাবাদ বিধায়ক মৃত্যু কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে থানার সামনে বিক্ষোভ

প্রসঙ্গত, বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যু নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর। দেবেনবাবুর পকেট থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। সেখানে দুজনের নাম পাওয়া গিয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ও সিআইডি নিলয় সিংহ নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। মামুদ নামে অপর একজনের খোঁজ চালানো হচ্ছে। ধৃত নিলয় সিংহকে এদিন উত্তর দিনাজপুর জেলা আদালতে তোলে সিআইডি। ইতিমধ্যেই দেবেন্দ্রনাথ রায়ের স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে সিআইডি ৩০২/৩৪ আইপিসি’র অধীনে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। এদিন আদালতে সিআইডি আবেদন রেখেছে নিলয়কে তাঁরা ১৪ দিনের রিমান্ডে নিজেদের হেফাজতে রাখতে চায় তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের স্বার্থে।

তদন্ত অনুসারে জানা গেছে,  ২০১২ সাল থেকে  বালিয়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি নামের একটি মিনি ব্যাঙ্কের সঙ্গে জড়িত ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ রায়। উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ সদর মহকুমার বাইসন এলাকার মোহিনীগঞ্জে রয়েছে এই ব্যাঙ্কের কার্যালয়।

আরও পড়ুন:হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুর ঘটনায় ধৃত ১, চলছে আরও একজনের সন্ধান

২০১২ সাল থেকেই এই সমবায়ের সম্পাদক হিসাবে করছিলেন তিনি। সেই সমবায়ে ৪ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা গচ্ছিত করা হলেও এখন ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকার কোনও হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। গচ্ছিত টাকা থেকে ২ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা ঋণ বাবদ দেওয়া হয়েছে বলে নথি পাওয়া গেলেও বাকি টাকার কোনও হিসাব মিলছে না।

রাজ্যের অ্যাসিসটেন্ট রেজিস্ট্রার অফ কো-অপারেটিভ সোসাইটি ইতিমধ্যেই ওই সমবায়ে গিয়ে সব হিসাব খতিয়ে দেখে এই তথ্য জানিয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটিও রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে জানান তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।

Related Articles

Back to top button
Close