fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

জাতীয় পতাকা তোলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ ,মৃত্যু ১ বিজেপি কর্মী

গোপাল রায়, আরামবাগ: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল হুগলির খানাকুল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলকাজুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ এই ঘটনায় তৃণমূলের হাতে এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয় । মৃত কর্মীর নাম সুদর্শন প্রামানিক। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থক আহত হলে তাদের আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । ঘটনাটি ঘটে হুগলি আরামবাগ নতীব পুর এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা  পুলিশকে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় । উত্তেজনা পরিস্থিতি সামাল দিতে  ঘটনাস্থলে  বিশাল পুলিশ বাহিনী  নিয়ে উপস্থিত হন খানাকুল থানার পুলিশ । এর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে । বিজেপি কর্মীকে গুরুতর আহত অবস্থায় খানাকুল প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরেই এও এলাকায় রণক্ষেত্র চেহারা নেয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিজেপির আরামবাগ জেলা সাংগঠনিক সভাপতি বিমান ঘোষ গেলে  তাঁকে বাঁধার সমুক্ষিন হতে হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে  বেশ কয়েকদিন ধরেই ওই এলাকায় বিজেপি তৃণমূলের একটা অশান্তি চলছিল। শনিবার খানাকুলের নতীপপুর এলাকায় স্বাধীনতা দিবসে পতাকা তোলাকে কেন্দ্র করে এক বিজেপি কর্মীর মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এরপরই  রণক্ষেত্র   হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। শুরু হয় বিজেপির  তৃণমূলের সংঘর্ষ। এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়। গুরুতর অবস্থায় এক বিজেপি কর্মী কে খানাকুল প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ ক‌র্মী-সমর্থকদের। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী।

আর ও পড়ুন: ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে বিবিজি কে ফুল- মিষ্টি, শুভেচ্ছা বিনিময়ে স্বাধীনতা দিবস পালন বিএসএফের

এদিন আরামবাগ তারকেশ্বর রোডের গৌরহাটি মোড়ের রাস্তায় বিজেপি কর্মী মৃতদেহটিকে রেখে বিক্ষোভ দেখানো হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। নেতৃত্বে ছিলেন পুরুলিয়া সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাতো, আরামবাগ সাংগঠনিক সভাপতি বিমান ঘোষ, যুব মোর্চার সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ। এদিন দোষীদের শাস্তি দাবি তুলে প্রায় দু’ঘণ্টার ওপর মৃতদেহটির মৃতদেহ রেখে অবস্থান-বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। আরামবাগ জেলা সাংগঠনিক সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যখন আমাদের কার্য কর্তারা পতাকা উত্তোলন করে সেইসময় তৃণমূল অতর্কিত ভাবে আমাদের কর্মীদের উপর মারধর চালায়। আমাদের করিম ইন সুচ আস প্রামানিক গুরুতর আহত হয় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা চলাকালীন তার মৃত্যু হয়। আমরা চাই যারা এই রকম জঘন্য ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের অবিলম্বে দোষীদের শাস্তি।

তৃণমূলের নেতা দিলীপ যাদব এ বিষয়ে বলেন, খানাকুল এ যে খুন হয়েছে বিজেপিরই নিজেদের মধ্যে লড়াই করে খুন হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরনের  কোন ঘটনার সাথে যুক্ত থাকে না। তবে পুলিশ তদন্ত করছে পুলিশ নিশ্চিত ভাবে সত্য ঘটনাকে উদঘাটন করবে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close