fbpx
হেডলাইন

রাজ্যে আলুর দাম বাড়িয়ে সেই টাকায় ভোট করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস: সায়ন্তন বসু  

মিল্টন পাল, মালদা: ‘রাজ্যে আলুর দাম বাড়িয়ে সেই টাকায় ভোট করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।’ নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কয়লা, গরু পাচারকারী বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। মুখ্যমন্ত্রীকে আবার শাড়ি পরা হিটলার বলে কটাক্ষ করেন রাজ্য বিজেপির সাধারন সম্পাদক সায়ন্তন বসু। রবিবার সকালে ইংরেজবাজার শহরের দূর্গা বাড়ি মোড় এলাকায় চা চক্রে যোগ দেন রাজ্য বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। এদিনের অনুষ্ঠানে সায়ন্তন বসু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল, সহ সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী সহ জেলা বিজেপির কর্মী সর্মথকেরা।

 

এদিন সায়ন্তন বসু সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, মুষল পর্ব চলছে। কালীঘাট প্রাইভেট লিমিটেডের স্বেচ্ছাচার অত্যাচারের বিরুদ্ধে যারাই আসবেন তাদের সকলের আমাদের দলে স্বাগত। আমি বলেছিলাম আপনাদের মালদাতেই বলেছিলাম জানি অনেক চেঁচামেচি হয়েছিল, শাড়ি পরা হিটলারের বিরুদ্ধে যারা জনগণকে সাহায্য করবেন বিজিপির সাথে আসতে চাইবেন তারা সকলকে স্বাগত। তিনি আরও বলেন, ভাইপোর বিরুদ্ধে অভিযোগ কয়লা পাচার করে,গরু পাচার করে বালি পাচার করে। পাচারকারীরা যদি তৃণমূলের হয়ে প্রচারে নামে তাতে বিজেপির সুবিধা হবে।গরু পাচারকারীরা ভোটের প্রচারে নামলে  পরাজিত হবে তৃণমূল।নিশ্চিন্তে থাকুন যত এই ধরনের মানুষ প্রচারে নামবে তত বিজেপির লাভ হবে। শুভেন্দু প্রসঙ্গে তিনি বলেন তিনি এখনও ওই দলে রয়েছেন। ওই দল থেকে বেরোলে তারপরে আমরা বলব। এরপর তিনি একটি দেওয়াল লিখেন।

 

এরপর তার চা চক্র অনুষ্ঠানের পাশেই চলছিল রাজ্য সরকারের আলু বিক্রি। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের সঙ্গে বাক্যালাপ করেন। তিনি আলু বিক্রি প্রসঙ্গে বলেন,পুজোর সময় যখন ঘুরতে যেতাম তখন দেখতাম ট্রেনের রিজার্ভেশনের জন্য লম্বা লাইন। এখন মাত্র ৪ কেজি আলুর জন্য ৩৫০ মানুষ ভোরবেলা থেকে লাইন দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে এত অপদার্থ সরকার, কৃষকের কাছ থেকে ৫ টাকা,১০ টাকা কিলো আলু নিচ্ছে গ্রামে-গঞ্জে। আর খোলাবাজারে তা ৪৫ টাকা ৫০ টাকা কিলো বিক্রি হচ্ছে। মানুষ লাইন দিচ্ছে তিন ঘন্টা ৪ ঘন্টা ধরে ২৫ টাকা কিলো আলু কেনার জন্য। এর থেকে চূড়ান্ত অরাজকতা হয় না। মধ্যস্বত্বভোগী তৃণমূলের দালাল ফরেদের গোডাউন গুলিতে যদি এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ বা ইবি যদি আজকে হানা দেয় তাহলে কুইন্টালে কুইন্টালে, টনে টনে আলু পাওয়া যাবে। সেই টনে টনে আলু কেন খোলাবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে না। তার কারণ হচ্ছে পাঁচ টাকার আলু খোলা বাজারে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

এই যে ৪০ টাকা প্রফিট তৃণমূলের কাছে চলে যাবে। তার জন্যই এই ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। কয়লা পাচার, লোহা পাচার, গরু পাচার কাঠ মানি নিয়ে সবকিছু শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন জিনিসের দাম বাড়িয়ে কাঠ মানি নিয়ে ভোটের খরচা করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে আলুর দাম ১০০ টাকা কেজিতে নিয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধুমাত্র নিজেদের ভোটের খরচ তুলতে এই কাজ করছে।

জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, শুধু এই রাজ্যে নয় গোটা দেশেই আলুর দাম বেড়েছে । সুতরাং আলো নিয়ে বিজেপির নোংরা রাজনীতি করা বন্ধ করা উচিত। ক্ষমতা থাকলে সরাসরি বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জ করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মাঠে নামা উচিত। সেই ক্ষমতা তাদের নেই। সেই কারণে তারা কিছু বহিরাগতদের এনে এখন এই রাজ্যে কুৎসা করছে। ভিত্তিহীন অভিযোগে। কয়লা পাচার, গরু পাচার এগুলো সেন্ট্রাল গর্ভমেন্টের বিষয়। এই ইস্যু নিয়ে মানুষের কাছে গেলে মানুষ তা ভাল চোখে নেবে না।

 

Related Articles

Back to top button
Close