fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

উদ্বাস্তুদের নিয়ে তৃণমূলের নোংরা রাজনীতির অধ্যায় শেষ হতে চলেছে: সায়ন্তন বসু

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর: আর কয়েকটি মাস অপেক্ষা করুন, পূর্ববঙ্গ থেকে আগত উদ্বাস্তুদের নিয়ে রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেসের নোংরা রাজনীতির অধ্যায়ের শেষ হতে চলেছে। বিজেপি এরাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই পূর্ববঙ্গ থেকে বিতাড়িত সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জনগণকে  নাগরিকত্ব দেবে,  এর জন্য কোনও কাগজ পত্র দাখিল করতে হবে না। শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে অর্থাৎ বললেই হবে যে ওপার বাংলা থেকে অত্যাচারিত হয়ে ভিটেমাটি ত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছি। ওপার বাংলা থেকে আগত সমস্ত উদ্বাস্তু সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারগুলিকে কোনও কাগজপত্র ছাড়াই ভারতবর্ষের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, বিজেপি রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বাবু ১ ডিসেম্বর নদিয়া জেলার জালালখালিতে বিজেপির কর্মিসভা শেষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণা করেন। তিনি এই সভার আগে চাকদহে দলের চা-পে চর্চায় যোগ দেন এবং সেখানে ও নানা প্রশ্নবানে রাজ্যের শাসক তৃণমূল কংগ্রেস দল সহ রাজ্য সরকারকেকটাক্ষ করেন।

সায়ন্তনবাবু জালালখালির সভায় আরও বলেন, ‘১  ডিসেম্বর থেকে শুনেছি রাজ্য সরকার, দুয়ারে দুয়ারে সরকার নামে একটি কর্মসূচি নিয়েছে, এ প্রকল্প তো বিজেপির কাছ থেকে ধার নেওয়া! আমরা বিজেপির পক্ষ থেকে জনসংযোগ কর্মসূচির অধীন বাড়িতে বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি নিয়ে সরকারের জনহিতকর প্রকল্পের কথা মানুষের দরবারে তুলে ধরেছি এবং বিগত একবছর যাবৎ পশ্চিমবঙ্গে আমাদের কর্মসূচি চলছে, আমাদের সেই কর্মসূচি নকল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার।’

আরও পড়ুন: ২৪ ঘন্টায় নতুন আক্রান্ত ৩৩১৫,  সুস্থ ৩৩৪০, মৃত ৫২

তৃণমূলের নেতা কর্মীদের সাবধানবাণী দিয়ে সায়ন্তনবাবু বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীরা দুয়ারে দুয়ারে গেলে তাতেও রক্ষা কিন্তু তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দুয়ারে দুয়ারে গেলে, তাদের জন্য বিপদ অপেক্ষা করছে, ফলে তাদের না যাওয়াই ভালো কারণ, আমফানের টাকা খেয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার সময় কাটমানি নিয়েছেন, স্বচ্ছ ভারত প্রকল্প রূপায়নের সময় দালালি নিয়েছেন, চিটফান্ড কোম্পানি রোজভ্যালি, সারদা, এ্যাপেলাইনস, আইকর, এমপিএস এ টাকা রাখতে গ্ৰামের মানুষকে প্রভাবিত করেছেন। ফলে দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচিতে মানুষের বাড়িতে গেলে সুস্থ্য স্বাভাবিক ভাবে ফিরে আসা হয়তো অসম্ভব হয়ে উঠবে। তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে  আর যে কটা মাস অবশিষ্ট আছে জীবনের ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো’।

Related Articles

Back to top button
Close