fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে মারধরের অভিযোগ গ্রামীন পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে

মিল্টন পাল, মালদা: তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে মারধরের অভিযোগ গ্রামীন পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার দৌলতপুর গ্রামপঞ্চায়েতের কনুয়া গ্রামের ঘটনা। আহত প্রধান চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের।

হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের দৌলতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  প্রধান তাফাজ্জুল হক। সে বিশেষ কাজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুরের কোনুয়া যাচ্ছিলেন। সেই সময় রাস্তায় দু কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তার গাড়িকে সাইড দেয়নি ইঁট বালি বোঝাই লরি। সেই সময় এর প্রতিবাদ করেন তিনি। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হয় লরি মালিক গ্রামীণ পুলিশ তারিকুল ইসলাম ও তার ভাই সিভিক ভলেন্টিয়ার হাবিবুর রহমান। এরপর ফোন মারফত প্রধানকে ডেকে পাঠায় কোনুয়া বাজারে। সেখানে গাড়ি থেকে নামতেই দলবল নিয়ে ওই প্রধানের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রধান তোফাজুল হক বলেন, আমাদের বিভিন্ন সময় জরুরী অবস্থার জন্য ছুটতে হয়। সেই গাড়ি সাইড না দেওয়ার প্রতিবাদ করায় গ্রামীন পুলিশ ও সিভিক পুলিশ আমাকে শাবল রড দিয়ে হামলা চালায়।

[আরও পড়ুন- দিন দিন পশ্চিম মেদিনীপুরে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা]

শ্বাস রোধ করে প্রাণে মারার চেষ্টা করে। এমনকি ঘটনা দেখতে পেয়ে গাড়ির চালক ও অন্যান্যরা আমাকে বাঁচাতে গেলে তাদেরকেও বেধরক মারধর করে। স্থানীয়দের তৎপরতায় আমি রক্ষা পাই। গোটা ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায়।

জেলা তৃণমূলের কোঅর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, অনেক জায়গায় গ্রামীণ পুলিশ,সিভিক ভলেন্টিয়ার নিজেদেরকে পুলিশের বড় কর্তা মনে করে। তারা বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন কাজে যুক্ত থেকে মানুষের ক্ষতি করছে। এতে আমাদের সরকারের বদনাম হচ্ছে। প্রধান আক্রান্ত হয়েছে এটা খুব দুঃখের বিষয়। জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী বলেন যে, রাজ্যের শাসকদল পুলিশকে দাসে পরিণত করেছে। আগে বিরোধীদের পুলিশ পেটাচ্ছিল এখন নিজের দলের কর্মীদের মারছে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close