fbpx
কলকাতাহেডলাইন

জঙ্গল মহলে জমি পেতে মাওবাদীদের হাতিয়ার করার ছক তৃণমূলের: দিলীপ ঘোষ

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: বেলপাহাড়িতে ফের মাওবাদী পোস্টার। জঙ্গল মহলে ফের আতঙ্কের পরিবেশ। শনিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করলেন জঙ্গলমহলে জমি পেতে মাওবাদীদের সক্রিয় করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ঘটনা হলো বেলপাহাড়ি থেকে বাঁশ পাহাড়ি যাওয়ার রাস্তায় দোমোহনি এলাকায় ঠিকাদারদের কাজ বন্ধ করার হুমকি দিয়ে পোস্টার পড়ে। এর আগে সম্প্রতি বাঁশ পাহাড়ির এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে টাকা চেয়ে হুমকির চিঠি আসে মাওবাদীদের তরফে। এই ঘটনা পরম্পরায় মধ্যে রাজনৈতিক চক্রান্তের অনুমান করছেন মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

তিনি বলেন, ‘ পরিকল্পিত ভাবেই মাওবাদীদের সক্রিয় করা হচ্ছে। এই মুখ্যমন্ত্রীই কদিন আগেও দাবি করেছেন পাহাড়, জঙ্গলমহল হাসছে।উন্নয়ণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে। তাহলে এখন আবার মাওবাদী আতঙ্ক ফিরে এলো কেন?’ তিনি বলেন, ‘ তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। জঙ্গল মহলের মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই মাওবাদীদের সাহায্য নিয়ে হারানো জমি ফিরে পেতে চাইছে।সেই উদ্দ্যেশ্যেই ছত্রধর মাহাতোকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য ছত্রধরের মাধ্যমে মাওবাদী সক্রিয়তা বাড়িয়ে মানুষের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা।’ তিনি বলেন, ‘ বিহারে নির্বাচনের জন্য জঙ্গলমহল থেকে কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আর তৃণমূল এই সুযোগে মাওবাদীদের তৎপরতা বাড়াতে চাইছে।’

এদিন তিনি শিক্ষক দিবসের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে। তিনি বলেন, ‘ আন্দোলন করলে শিক্ষকদেরও মুখ ঝামটা শুনতে হয়।’ ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে শিক্ষক ও উপাচার্যদের দিন কাটাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। বিজেপির শিক্ষা সেলের অনুষ্ঠানে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কেন শিক্ষকদের রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে হয়? শিক্ষকরা রাস্তায় থাকলে স্কুলে পড়াবেন কারা?’ তিনি আরও বলেন, ‘ এখানে প্রেসক্লাবের সামনে এস এসসিতে উত্তীর্ণদের ধর্না দিতে হয়। পরীক্ষায় পাশ করেও তাঁরা চাকরি পাননি। আন্দোলন করলেই মুখ ঝামটা খেতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী আন্দোলন কারীদের চতুষ্পদের সঙ্গে তুলনা করেন।’ এদিন উপাচার্যদের ভূমিকা নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘উপাচার্যদের শিরদাঁড়া সোজা রাখার ক্ষমতা নেই। চাকরি বাঁচাতে ধর্নায় বসতে হচ্ছে। মন জুগিয়ে চলতে হচ্ছে। এভাবে পড়াশুনো হয়না।’ এদিন তিনি নতুন কেন্দ্রীয় নীতির প্রশংসা করে বলেন, ‘ এতোদিন পর্যন্ত আশ্বস্ত হওয়ার মতো শিক্ষানীতি ছিল না। নতুন শিক্ষা নীতি নতুন দিশা দেখালো। রাজ্যের স্কুল, কলেজগুলোর যা অবস্থা, তাতে অভিভাবকরা বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছেন।’

Related Articles

Back to top button
Close