fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চোর ও কাটমানির দল তৃণমূল, কটাক্ষ সায়ন্তন বসুর

অভিষেক আচার্য, কল্যাণী: তৃণমূল দলের কোনও নৈরাজ্য নেই। তাই ব্রাত্যবাবুরা রাজ্যপালের নামে এই ধরণের মন্তব্য করেন। চোর ও কাটমানির দল হল তৃণমূল। নদিয়ার মদনপুরে কৃষক বিল সমর্থনে একটি অনুষ্ঠানে এসে বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু এভাবেই তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন। প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগণার বারাকপুরে গান্ধী স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে এসে সাংবাদিকদের সামনে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় অভিযোগ করেন, রাজভবনের সঙ্গে রাজ্যের দূরত্ব তৈরি করা হয়েছে। এ রাজ্যে সরকারি আধিকারিকরা রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে। এরপরই রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু রাজ্যপালের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি জগদীপ ধনখড়কে ‘নৈ-রাজ্যপাল’ বলে কাটক্ষ করেন।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে এদিন শাসক দলকে তোপ দাগেন বিজেপি নেতা। হাথরসের ‘নির্ভয়া’র পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে শুক্রবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশের প্রবল বাধার মুখে পড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। পুলিশ হাথরসে ঢুকতে বাধা দেয় তৃণমূল প্রতিনিধি দলকে। চলে বচসা, ধস্তাধস্তি। ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে। এই বিষয়ে সায়ন্তনবাবু বলেন, “উত্তরপ্রদেশে তৃণমূল দল রয়েছে নাকি? ওখানে যাওয়ার দরকার কি ছিল তৃণমূলের?” প্রশ্ন তোলেন বিজেপি নেতা।

পাশাপাশি সায়ন্তনবাবু কৃষকমান্ডি প্রসঙ্গে বলেন, “কৃষকমান্ডি কৃষকদের জন্য করা হয়নি। তৃণমূলের সিন্ডিকেট ব্যবসা চালানোর জন্যই তৈরি হয়েছে।” তিনি এও বলেন, “কৃষি বিলের ফলে উপকৃত হবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষক মৃত্যুর হার কমবে বলে দাবি সায়ন্তনবাবুর। এদিন কৃষক বিলের সমর্থনে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য ও দক্ষিণ কলকাতার পর্যবেক্ষক মানবেন্দ্র রায় ও দক্ষিণ জেলার সম্পাদক সব্যসাচী চক্রবর্তী নেতৃত্বে এক বিরাট মিছিল করে গেরুয়া শিবির। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি অশোক চক্রবর্তী, কিষান মোর্চার রাজ্য সভাপতি মহাদেব সরকার সহ বিজেপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

Related Articles

Back to top button
Close