fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কোলাঘাট ব্লকের বিডিও’র উদ্যোগে চলছে ত্রিপল বিলির কাজ

বাবলু ব্যানার্জি, কোলাঘাট: আমফানের তন্ডব চার দিন অতিবাহিত এখনো আতঙ্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি কোলাঘাটবাসী। এখনো চলছে বিভিন্ন জায়গায় সেই দিনের নানা স্মৃতির কথা। ঘরবাড়ি থেকে ফুল পান সবজি ক্ষতির সম্মুখীন এই এলাকার মানুষ। সম্পূর্ণ হিসেব না এলেও কোটি কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

 

 

ছিটে বেড়ার ছাউনি থেকে শুরু করে এডবেস্টার এর ছাউনি উড়ে যেতে দেখা যায় এই আম ফানের তান্ডবে।মৃত্যুর খবর না থাকলেও এখনো ব্লকের ১৩টি অঞ্চলের বেশ কিছু স্থানে বড় বড় বৃক্ষ ছিটে বেড়ার ঘরের মধ্যে পড়ে আছে, তা পরিস্কারের কাজ চলছে। বেশ কিছু জায়গায় কেবল বাঁশের খুঁটি গুলি দাঁড়িয়ে আছে। খোলা আকাশের নিচে বেশ কিছু মানুষ দিন কাটাচ্ছে।এমনিই অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেল কোলাঘাট ব্লকের বি ডি ও মদনমোহন মন্ডলকে।

সিদ্ধা ২ নম্বর অঞ্চলে খোলা আকাশের নিচে বাস করা মানুষজনদের ত্রিপল ও খাদ্য সামগ্রী তুলে দিলেন। এলাকার মানুষজন এই সংকটময় সময়ে ত্রিপল ও খাদ্যসামগ্রী পেয়েই খুশি। বি ডি ও মদনমোহন মণ্ডল বলেন আমফান ঝড়ের তাণ্ডবে যারা একেবারেই ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন তাদেরকেই এই সাহায্য করা হচ্ছে। সিদ্ধা ২  অঞ্চল নয় পর্যায়ক্রমে ব্লকের তেরোটি অঞ্চলেই যারা একেবারেই ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তাদেরকে সাময়িকভাবে এই সাহায্য তুলে দেওয়া হবে।

 

 

অন্যদিকে এই ঝড়ের তাণ্ডবে বেশ কিছু স্থানে বিদ্যুৎ বিপর্যয় অব্যাহত। এরই মধ্যে ঘটেছে পথ অবরোধের মতো ঘটনা , মেচেদা ৪১ নং জাতীয় সড়ক গ্রামবাসীরা অবরোধ করে রাখলে বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন, আশ্বাস দেন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ দ্রুত ব্যবস্থা করা হবে। সারা ব্লক জুড়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীদের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেলেও ব্যাপকহারে বিদ্যুতের তার খুঁটি উপড়ে পড়ায় স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে বলে বিদ্যুৎ দপ্তরের খবর। ব্লক জুড়ে বেশ কিছু স্থানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেও। পুলশিটা অঞ্চলের ক্ষেত্রহাট, যোগীবেড়, ধর্মবেড়,পারুলিয়া, কুমারহাট,পয়াগ সহ বেশকিছু গ্রামে পাওয়ার জেনারেটর দিয়ে গৃহস্থ বাড়িতে সাফ মার্শলের জল তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান।

 

দিনরাত ধরে এই পরিষেবা দেওয়ার জন্য এলাকার মানুষ তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই ব্যবস্থা কেবল পুলশিটা অঞ্চলে নয় ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলেও এই উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের। কোলাঘাট ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তপন ঘোড়াকে ধরা হলে তিনি জানান যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে কোলাঘাটবাসী তার হিসেব চলছে। প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা করে হিসেব করেই জেলা দপ্তরে পাঠানো হবে। সাময়িকভাবে ব্লক এর পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য যতটুকু সাহায্য করার কাজ তা চালিয়ে যাবে পঞ্চায়েত সমিতি।

Related Articles

Back to top button
Close