অসমদেশহেডলাইন

ভাষা দিবসের অনুপ্রেরণা দিতে এগিয়ে যেতে চাইছে ত্রিপুরা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ভাষা হোক সীমানা হীন, এই বার্তাই সামনে রেখে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস-এর অনুপ্রেরণায় এগিয়ে এল ত্রিপুরা। প্রভাত ফেরি থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বাংলা ভাষার সম্মানে পথে নামে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা। ভাষা দিবসের দিন সকালে প্রভাত ফেরিতে ত্রিপুরার শিক্ষা মন্ত্রী ও বাংলাদেশের সাংসদ মহম্মদ আব্দুস সাহিদ সহ স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা পা মিলিয়েছেন। এদিন আগরতলায় ত্রিপুরা সরকার ও বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনের যৌথ উদ্যোগে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে উদযাপিত হয়েছে ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান।

এদিন ত্রিপুরার শিক্ষা মন্ত্রী রতন লাল নাথ বলেন, প্রত্যেক ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই আজ আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উদযাপিত হচ্ছে। ত্রিপুরা সরকারের মূল লক্ষ্য একটি ভাষা যেন বিলুপ্ত না হয়ে যায়। তাঁর কথায়, ত্রিপুরা সরকার চেয়েছে, তাই বাংলার সঙ্গে ককবরক ভাষাকেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ওই ভাষা যেন হারিয়ে না যায় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, ককবরক ভাষার পাশাপাশি চাকমা, রিয়াং ও অন্যান্য ভাষা গুলিকেও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা চলছে।

(আরও পড়ুন- শাহিনবাগ: একদিন দুদিন নয়, দীর্ঘ ৬৯ দিন পর অবশেষে খুলল নয়ডা-ফরিদাবাদ রোড)

তাই, ভাষা কল্যাণ দফতরের মাধ্যমে ওই ভাষাগুলিকে উজ্জীবিত এবং আরও সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দৃঢ়তার সঙ্গে তিনি বলেন, আজকের এই দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভাষা মানুষের জন্মগত অধিকার। তাই সব ভাষাকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের আন্দোলনের জন্যই বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি বলেন, মাতৃভাষা মাতৃ দুগ্ধের সমান। যারা মাতৃ ভাষাকে সন্মান জানাতে পারেন না তারা মা ও মাতৃভূমিকেও সন্মান করেন না।

এদিকে বাংলাদেশের সাংসদ মহম্মদ আব্দুস সাহিদ বলেন, রক্ত দিয়ে আমরা বাংলা ভাষাকে রক্ষা করেছি। তিনি বলেন, বাংলা স্বীকৃতির জন্য বাংলাদেশের সংসদ থেকে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। তাঁর দাবি, আমরা প্রত্যেক ভাষাকে রক্ষায় বদ্ধ পরিকর। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা ভাষার মর্যাদা পেয়েছি। তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান জাতিসংঘে বাংলা ভাষায় ভাষণ দিয়ে বিশ্ববাসীকে প্রমান করেছেন যে এই ভাষা ছোট নয়।

Related Articles

Back to top button
Close