fbpx
একনজরে আজকের যুগশঙ্খকলকাতাদেশহেডলাইন

খোয়াই থানায় ‘ধরনা’র জের, অভিষেক, কুণাল-সহ পাঁচ জনকে তলব ত্রিপুরা পুলিশের

নিজস্ব প্রতিনিধি: ফের একবার প্রশ্ন উঠল বিজেপি শাসিত ত্রিপুরা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তৃণমূল নেতৃত্বকে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল তাদের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ পাঁচ জনকে তলব করল ত্রিপুরা পুলিশ।

উল্লেখ্য, বাংলার তৃণমূল যুব নেতাদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছিল ত্রিপুরার রাজনীতি। খোয়াই থানায় দীর্ঘক্ষণ ধরনায় বসেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খোয়াই থানায় তলব করা হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, দোলা সেন, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং  ত্রিপুরার তৃণমূল নেতা সুবল ভৌমিককে। শনিবার ত্রিপুরা পুলিশ থেকে নোটিসটি পাঠানো হয়েছে। নোটিসে লেখা হয়েছে, ওই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তলব করা হয়েছে তাঁদের। নোটিস পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন অভিষেক।  জানিয়েছেন, তদন্তে সবরকম সাহায্য করতে তিনি প্রস্তুত। হাজিরাও দেবেন। একই কথা জানিয়েছেন কুণাল ঘোষও। ২২ সেপ্টেম্বর আগরতলায় মহামিছিল করতে চলেছে তৃণমূল। সেই মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন অভিষেক। তার আগেই এই নোটিস পাঠানো হল তাঁদের কাছে।

গত আগস্টে দলীয় এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ত্রিপুরায় তৃণমূলের যুব নেতৃত্বকে রাস্তায় আটকানো হয়। সেখানে দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা ও জয়া দত্তদের উপর হামলা চলে বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এরপরই তাঁদের গ্রেফতার করা হলে খোয়াই থানায় অবস্থানে বসেন অভিষেক, কুণাল ঘোষরা। ধৃতদের মুক্তির দাবি তোলেন। কিন্তু জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় ধৃত নেতাদের তোলা হয় আদালতে। সেই সময়ও থানাতেই বসেছিলেন অভিষেক। সেখান থেকেই তাঁরা নজর রাখছিলেন পরিস্থিতির উপর। দলের নেতারা জামিন পাওয়ার পর ক্ষোভ উগড়ে দেন ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। সেদিন থানায় তৃণমূলের অবস্থানের জেরেই এবার তাঁদের নোটিস  পাঠাল ত্রিপুরা পুলিশ।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close