fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পঁচিশ বছর কাটলো ফাঁকা প্রতিশ্রুতিতে, আজ ও পূরণ হয়নি কলেজের দাবী

সুকুমার রঞ্জন সরকার, কুমারগ্রাম: কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতার লাইন ধার করেই বলতে হয়– ” পঁচিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখেনি। ” ফাঁকা প্রতিশ্রুতির রজত জয়ন্তী চললেও কুমারগ্রাম ব্লকের বারোবিশায় মঞ্জুর হয়নি একটি ডিগ্রী কলেজ স্থাপনের দাবী। ঊনিশশো পচান্নব্বই সাল থেকে বারোবিশা ও লাগোয়া এলাকার বাসিন্দারা দাবী জানিয়ে আসছেন একটি ডিগ্রী কলেজ স্থাপনের জন্য। কিন্তু তাদের দাবী পুরনে এগিয়ে আসেননি কেউ। বারোবিশায় কলেজ স্থাপনের জন্য ঊনিশশো পচান্নব্বই সালে এলাকার সর্বস্তরের জনগনের উপস্থিতিতে গঠিত হয় প্রস্তাবিত কলেজ সাংগঠনিক কমিটি। এই সভাতেই প্রস্তাবিত কলেজের নাম দেওয়া হয় রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয়। সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি রাজেন্দ্র নাথ দাস জানান তখন থেকেই এই কমিটির উদ্যোগে কলেজ স্থাপনের জন্য প্রশাসনের সর্বস্তরে আবেদন জানানো শুরু হয়, এখনো সেই ট্রাডিশন সমানে চলছে। কমিটির উদ্যোগে কেনা হয় ষোলো বিঘা জমি। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের স্থানীয় শাখায় রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয় এর নামে একাউন্ট খুলে প্রয়োজনীয়

আরও পড়ুন: সহযাত্রীর শরীরে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ায় আতঙ্ক জিরিঘা ,সিল মাখননগর গ্রাম

তহবিল গঠন করা হয়। তৎকালীন বাম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে বারবার দাবী জানানো হলেও সেই দাবী আজও পুরন হয়নি। পরবর্তীতে রাজ্যে পালাবদল ঘটেছে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক সহ প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে ও বারবার আবেদন জানানো হচ্ছে কিন্তু কাকস্য পরিবেদনা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন সরকারি প্রকল্প রুপায়নে বড় সমস্যা জমি। বারোবিশায় কলেজের জন্য জমি ও প্রয়োজনীয় তহবিলের সংস্থান থাকা সত্বেও কলেজ অনুমোদনে গড়িমসি কেন? ফাঁকা জমিতে আর কতবার সাইনবোর্ড পাল্টাতে হবে তাদের? এলাকার বিধায়ক জেমস কুজুর জানান বারোবিশায় কলেজ অনুমোদনের জন্য শিক্ষা দপ্তরে জানানো হয়েছে, তার আশা শিক্ষা দফতর এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত পূরণে তৎপর হবে। এলাকাবাসী তাকিয়ে আছেন সেই আশারবানীর দিকে।

Related Articles

Back to top button
Close