fbpx
কলকাতাহেডলাইন

লকডাউনে অবসাদ কাটাতে সুস্থ সংস্কৃতির প্রচারে দুই বাংলার শিল্পী

মোকতার হোসেন মন্ডল: লকডাউনে অবসাদ কাটাতে সুস্থ সংস্কৃতির প্রচার করছেন দুই বাংলার বেশ কিছু শিল্পী ও অভিনেতা। মূলত লকডাউনে বৈশ্বিক সমস্যা ও উত্তরণের উপায় নিয়ে তারা কাজ করছেন। আর শ্রী জন্য সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে হিল দা ওয়ার্ল্ড। যেখানে পৃথিবীতে ভাতৃত্বের প্রচার ও এক পৃথিবী এক দেশের ভাবনা দেওয়া হয়েছে।
এক শিল্পী জানান, চলমান বিশ্বে আমরা সকলেই সংশয়ে আছি কেউ রেসিজিম নিয়ে,কেউ করোনা ভাইরাস নিয়ে,আর কেউ প্রকৃতি নিয়ে,কেউ মৌলিক অধিকার নিয়ে। তবে এসবের মধ্যেই আমাদের মানবিক মূল্যবোধের খোঁজ করতে হবে। আর মানবিক মূল্যবোধ ও প্রকৃতির অনিষ্টতা নিয়ে তৈরি হয়েছে এই গানটি। পুরো পৃথিবীকে মানুষের জন্য বাসযোগ্য করে তোলার জন্য এই গান অনবদ্য প্রয়াস।গানের প্রতিটি লাইন ও দৃশ্যায়ন গুলো মানবতাকে স্মরণ করাবে।”

সাড়ে ৬ মিনিটের এই গানের শুরুতে চলমান বিশ্বের সংকটকে মোশন গ্রাফিক্সের মাধ্যমে দারুন ভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে দর্শকরা বলছেন। সমগ্র গানের গল্পের মধ্যে হিল দা ওয়ার্ল্ড কে একটি স্লোগান রূপে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। একজন ট্রাভেলার এই বার্তা মানুষের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন এবং তার ফলাফল এই গানটিতে ক্যামেরার ফ্রেমের মাধ্যমে দৃশ্যায়িত হয়েছে। এই গানটির শেষে গিয়ে দর্শকদের অনুভূতি হবে এটা শুধু একটি গান নয় বরং একটা শর্ট ফিল্ম।
এই গানের কথা,সুর,মিউজিক,অভিনয়, সিনেমাটোগ্রাফি,ভিএফএক্স, মোশন গ্রাফজিক্স সব মিলিয়ে থার্ড আই ফিল্মস-এর একটি অনবদ্য সৃষ্টি।

আরও পড়ুন: সংক্রমণ রুখতে করোনা টেস্টের রিপোর্ট না আসা মৃতদেহ পুরসভার হাতে তুলে দিচ্ছে কলকাতা মেডিক্যাল

কবি আল মাসুম গানের কথা লিখেছেন এবং বাংলাদেশের শিল্পী দিদারুল ইসলামের সুর দিয়েছেন। দিদারুল ইসলাম ও সালমা পারভীন রোজার গায়কী ভালো বলে অনেকে বলছেন। এই গানের সিনেমাটোগ্রাফিতে ভারতীয় বলিউড ঘরানার ছাপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে পরিচালক এইচ আল বান্না। নাট্য কর্মী প্রদীপ দত্ত,মদন গোস্বামী, কৃত্তিক চক্রবর্তী, সুমিতা দত্ত, আব্দুল্লা গাজী,কৃত্তিকা চক্রবর্তী, মোঃ রুহুল আমিনের অভিনয় করেছেন। গানটি প্রযোজনা করেছেন মোঃ আজিজুল। লকডাউনের সময় অনলাইনেই উদ্বোধন করা হয়েছে হিল দা ওয়ার্ল্ড। গানে পৃথিবীটাকে একটা দেশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close