fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে মৃত ২, জল্পনা

সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি: শুক্রবার উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি থাকা দুজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এরা দুজনই জলপাইগুড়ি জেলার বাসিন্দা। তাদের লালারসের পরীক্ষার রিপোর্টে করো না ধরা না পড়লেই মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

এদিকে শিলিগুড়িতে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। এদিন শিলিগুড়িতে সাতজন আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে। এদিন কালিম্পংয়েও চারজন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে এর মধ্যে শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের দুজন রয়েছেন, বাকিরা ১৭,২৬,৪০,৪৪ ও ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আর কালিম্পংয়ে আক্রান্ত চারজন ডালিমবস্তি, ফরেস্ট বস্তি, নিমবস্তি ও গিদ্দাবলিং এলাকার বাসিন্দা। এর বািরে এদিন শিরিগুড়ি চ্যাং কোভিড হাসপাতালের এক চিকিৎসকও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
আতঙ্কের মাঝে এদিন কিছুটা স্বস্তির খবর শিলিগুড়ি চ্যাং সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার ডাক্তার বিমল বর্মন করোনা মুক্ত হয়ে ছুটি পেয়েছেন। এর পাশপাশি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার ডাক্তার কৌশিক সমাজদার জানিয়েছেন ডাক্তারদের করোনা সংক্রমণের ফলে তাদের সংস্পর্শে আসা যে ৩৩ জন ডাক্তার এবং নার্সদের কোয়ারান্টাইন করা হয়েছিল তাদের সকলের লালারস পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। ফলে শীঘ্রই তারা কাজে যোগ দেবেন।

এদিকে প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিলিগুড়িতে আতঙ্কও বাড়ছে। তবে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিনের মতো এদিনও যারা করোনা আক্রান্ত চিহ্নিত হয়েছেন তাদের অনেকের ট্রাভেল হিস্ট্রি রয়েছে, আবার কেউ কেউ পরিবারের করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে সংক্রমিত হয়েছেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে বাইরে থেকে করোনার সংক্রমিত আত্মীয়-পরিজন আসার ফলে কেউ কেউ শিলিগুড়িতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেলেও তাতে এখনই গোষ্ঠী সংক্রমনের কোন সম্ভাবনা দেখছেন না জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।
এদিকে স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকা মতো শিলিগুড়িতেও বেশ কয়েকজন উপসর্গহীন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেদের বাড়িতেই আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠছেন। এদিন দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক এস পুন্নমবালম জানান, কলকাতাতে এরকম হোম আইসোলেশনে উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা আগেই শুরু হয়েছে। শিলিগুড়ি সেই ব্যবস্থা সম্প্রতি শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে উপসর্গহীন আক্রান্ত ব্যক্তিকে একজন অ্যাটেনডেন্স রাখতে হবে। তার জন্য সব রকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা বাড়ির মালিককে করে দিতে হবে। যদি কোনও অবস্থায় কোনও উপসর্গ ধরা পড়ে তাহলে সেই ব্যক্তিকে হাসপাতালে এনে চিকিৎসা করা হবে।

Related Articles

Back to top button
Close