fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শিলিগুড়িত মৃত ৪, করোনা আক্রান্ত ছিলেন ২জন

সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি: গত দু’দিনে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমলেও মৃত্যুর সংখ্যা কিন্তু বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুধবার শিলিগুড়িতে মোট চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দু’জন করোনা সংক্রমিত ছিলেন। বাকি দু’জন করোনা আক্রান্ত সন্দেহে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এদের একজন কার্শিয়াংয়ের সিটংয়ের বাসিন্দা। অপর জনের বাড়ি শিলিগুড়ির নকশালবাড়ি ব্লকের হাতিঘিষায়। এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত এই দুজনের লালারস পরীক্ষার রিপোর্ট না আসায় মৃতদেহ দুটি হাসপাতালেই রেখে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবারও শিলিগুড়িতে দুজন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল। ২৪ ঘন্টার মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা এভাবে বাড়তে থাকায় আতঙ্কিত নাগরিকদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি শিলিগুড়িতেও করোনার মৃত্যুমিছিল শুরু হয়ে গেল?

যদিও চিকিৎসকদের বক্তব্য করোনায় আক্রান্ত হয়ে এবং করোনার উপসর্গ নিয়ে এখনও পর্যন্ত যে ক’জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের প্রায় সকলেরই পুরনো জটিল থাকায় সংকটজনক অবস্থায় চলে গিয়েছিলেন। বয়সও অনেক ছিল। কোমর্বিটির কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। এদিন কাওয়াখালিতে কোভিড হাসপাতলে সকালে জলপাইগুড়ি জেলার শিলিগুড়ি শহর লাগোয়া সাহুডাঙ্গির ৬০ বছরের এক বৃদ্ধা মারা যান। দুপুরে এই হাসপাতালেই আর একজনের মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে এই করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিও একজন মহিলা। তাঁর বাড়ি শিলিগুড়ি পুরসভার ন’নম্বর ওয়ার্ডের মুখার্জির রোডে। ৪৪ বছরের এই মহিলা প্রথমে করোনা উপসর্গ নিয়ে শহরের প্রধাননগরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন। সেখানে ডাক্তারদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষা করানো হয়। সেই রিপোর্টে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়লে তাকে কোভিড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল।

এদিকে এদিন শিলিগুড়িতে মোট ১২ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এদের মধ্যে তিন জন রয়েছেন শিলিগুড়ির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের সত্যজিৎ কলোনির বাসিন্দা। শিলিগুড়িতে করোনার সংক্রমণে এই ওয়ার্ডটি প্রশাসনের চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। কেননা গত কয়েক দিনের মধ্যেই এই ওয়ার্ডে করোনার সংক্রমনের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকার মধ্যে এই ওয়ার্ডেই সর্বাধিক করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। এই ওয়ার্ড লাগোয়া বিভিন্ন বাজার বন্ধ করেও এখানে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। কাজেই এই ওয়ার্ডে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাকি যে ওয়ার্ড গুলিতে এদিন পড়না আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে সেখানেও আগে দু -একজন ব্যক্তি করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। তাদের সংস্পর্শে আসার ফলেও এরা সংক্রমিত হতে পারেন বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।

Related Articles

Back to top button
Close