fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

ইরানি প্যাসেঞ্জার বিমান আকাশে, ধেয়ে এল মার্কিন F15, তারপর কি হল?

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক : এবার আকাশেও মার্কিন-ইরান দ্বৈরথ। না কোন যুদ্ধবিমান নয় বরং ইরানেরএকটি অসামরিক বিমানের পেছনে আচমকা ধাওয়া করলো দু’টি মার্কিন ফাইটার জেট। সন্দেহ ওই মাহান এয়ারলাইন্সের বিমানে অস্ত্র পাচার করছে ইরান। তাই বিমানের চালককে উচ্চতা কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন ওই মার্কিন যুদ্ধবিমান।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরিয়ার আকাশসীমায়। আচমকা এই ঘটনায় হতচকিত হয়ে যান মাহান এয়ারলাইন্সের যাত্রীরা। পাইলট প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে বুঝতে পারে ওই বিমান দুটি আসলে মার্কিন ফাইটার জেট F-15।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার মাহান এয়ারলাইন্সের বিমানটি তেহরান থেকে লেবাননের রাজধানী বেহরুট থেকে যাত্রা করছিল।‌ বিমান কি যখন সিরিয়ার আকাশে উড়ছিল সে সময় আমেরিকান সেন্ট্রাল কমান্ডের দু’টি মার্কিন ফাইটার জেট সিরিয়ায় বায়ু সেনা ঘাঁটি থেকে ছুটে আসে ইরানি এয়ারলাইন্স টি লক্ষ্য করে। এরপরে পাইলটকে উচ্চতা কমানোর নির্দেশ দিয়ে রুট পরিবর্তন করতে বারবার চাপ দেয় মার্কিন জেট দুটি। মাত্র ১০০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে চলে আসে ফাইটার জেট দুটি। ‌ এমনকি বিমান দুটির গতিপ্রকৃতিও ছিল আক্রমনাত্মক। পরিস্থিতির তারতম্য বুঝতে পারি ফাইটার জেট দুটিকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ করেন ইরানী এয়ারলাইন্সের পাইলট। এরপর মার্কিন জেট দুটির দাবি মত উচ্চতা কমিয়ে বিমানকে গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হয় মহান এয়ারলাইন্সের পাইলটরা।

যদিও ঘটনায় কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ইরান বিদেশমন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত দাবি করেছে তেহরান।

অন্যদিকে সেন্ট্রাল কমান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয় এটি একটি রুটিন ইনস্পেকশন সময় মাঝপথে ওই ইরানি বিমানটিকে দেখতে পায় মার্কিন বায়ু সেনা। তবে কোন ও ধরনের উত্তেজনামূলক ঘটনা ঘটেনি। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই নিরাপদে বিমানটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যদিও ওই ফাইটার জেটের সঙ্গে কোন ও ইজরায়েলি ফাইটার জেট উপস্থিত ছিল না বলে দাবি করা হয়েছে কি ইরানি বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে এবং পালেস্টিনে হামাস বিদ্রোহীদের অস্ত্র সরবরাহ করতে ইরানের এই মাহান এয়ারলাইন্স একাধিকবার কাজ করেছিল। অসামরিক বিমান সংস্থার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে আর্থিক ও  অস্ত্র যোগানের অভিযোগ আমেরিকাসহ পশ্চিমী শক্তি জোটের। এই যুক্তিতেই ২০১১ সালে মাহান এয়ারলাইন্সকে নিষিদ্ধ করে আমেরিকা। এরপর জার্মান সহ অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোও নিষিদ্ধ করেছে ইরানের এই বিমান সংস্থাটিকে।

Related Articles

Back to top button
Close