fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

উদয়নারায়নপুরে বোমা বিস্ফোরণে মৃত ১ দুষ্কৃতী, আহত ৬

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: খুনের মামলায় সাক্ষীদের প্রাণে মারার জন্য বোমা নিয়ে জড়ো হওয়ার সময় বিস্ফোরণে মৃত্যু হল এক দুষ্কৃতীর। ঘটনায় ৬ দুষ্কৃতী জখম হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তারা উদয়নারায়নপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি।

জানা গেছে, ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে উদয়নারায়নপুরের বিধিচন্দ্রপুর গ্রামের তৃণমূল বুথ সভাপতি শেখ হালিমকে গুলি করে খুন করে শেখ আলি আফসার। ঘটনায় পুলিশ আলি আফসারকে গ্রেফতার করে এবং তার জেল হয়। যদিও সম্প্রতি আফসার জামিনে মুক্ত হয় এবং এলাকায় আসে। অভিযোগ জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আফসার মৃত শেখ হালিমের পরিবারের সদস্যদের এবং এই ঘটনার মূল সাক্ষীদের প্রাণে মারার হুমকি দিতে থাকে।

মামলায় সাক্ষী দিলে প্রত্যেককে মেরে ফেলা হবে বলে ও হুমকি দিতে থাকে আফসার। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার মামলার সাক্ষীদের ওপর হামলা করার পরিকল্পনা করে বহিরাগত ১৮ থেকে ২০ জন দুষ্কৃতী ভাড়া করে গ্রামে ঢোকে। জানা গেছে দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা নিয়ে গুঘগড় এলাকার  ফাঁকা মাঠের মধ্যে একটি পাম্প হাউসের কাছে জড়ো হয়। এদিকে গ্রামে দুষ্কৃতী জড়ো হওয়ার খবর পেয়ে উদয়নারায়নপুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুষ্কৃতীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়ে পালাতে থাকে। অভিযোগ সেই সময় দুষ্কৃতীদের কাছে থাকা বোমা বিস্ফোরণ হলে ৭ জন দুষ্কৃতী মারাত্মক জখম হয়। ঘটনার পর পুলিশ ৫ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করলেও বাকিরা পালিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সকালে তল্লাশি চালিয়ে আরও ২ দুষ্কৃতীকে জখম অবস্থায় পুলিশ গ্রেফতার করে। জখম হওয়া দুষ্কৃতীদের উদয়নারায়নপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার সকালে শেখ সাদ্দাম নামে এক দুষ্কৃতীর মৃত্যু হয়।

এদিকে মঙ্গলবার সকালে এলাকায় যান হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশিষ মৌর্য, ডেপুটি পুলিশ সুপার কৃষ্ণেন্দু ঘোষ দস্তিদার। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, সোমবার গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা এলাকায় জড়ো হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ দুষ্কৃতীদের ধরতে এলে দুষ্কৃতীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ে। পুলিশ দুষ্কৃতীদের ধরতে গেলে তাদের সঙ্গে থাকা বোমা ফেটে ৭ জন দুষ্কৃতী গুরুতর জখম হয়। ‌

Related Articles

Back to top button
Close