fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশশিক্ষা-কর্মজীবনহেডলাইন

কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক হচ্ছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক, অনুমতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: নাম বদল হতে চলেছে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের। নতুন নাম হতে চলেছে ‘মিনিস্ট্রি অব এডুকেশন’ বা শিক্ষামন্ত্রক। এক দল বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তিতে শিক্ষার গুরুত্ব আরও বাড়াতে এই সুপারিশ করেছে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক।

আগামী বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এ বিষয়ে সিলমোহর পড়তে পারে বলে সূত্রের খবর। একই সঙ্গে নতুন ‘জাতীয় শিক্ষানীতি’র খসড়া প্রস্তাবেও ওই দিনই মন্ত্রিসভা সবুজ সঙ্কেত দিতে পারে বলে খবর।
১৯৮৫ সালে রাজীব গান্ধীর আমলে এই মন্ত্রকের নাম মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক রাখা হয়। সূত্রের খবর, নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির অঙ্গ হিসেবেই এই মন্ত্রকের নাম বদল করা হল। এদিনেক ক্যাবিনেট বৈঠকে নয়া জাতীয় শিক্ষানীতিও ছাড়পত্র পায়।

ইতিহাস বলছে ইসরোর প্রাক্তন প্রধানকে কস্তুরিরঙ্গনের নেতৃত্বে বহু বিশেষজ্ঞ এই মন্ত্রকের নাম পরিবতর্নের দাবি জানিয়েছিলেন। এমনকী, আরএসএসের (RSS) একাধিক শাখাও চেয়েছিল এই মন্ত্রকের নাম পরিবর্তন করতে। শেষপর্যন্ত তাঁদের দাবি মানল সরকার। অভিযোগ ছিল, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে ভুল বুঝিয়ে এই মন্ত্রকের নাম মানবসম্পদ উন্নয়ন রাখা হয়েছিল।

নতুন শিক্ষা নীতির খসড়ায় মূলত নজর দেওয়া হয়েছে শিক্ষার উপর। সেকারণেই মানবসম্পদ উন্নয়নের বদলে শিক্ষা মন্ত্রকে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন এই শিক্ষা নীতিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে দেশের ভিতর তাদের শাখা খোলার অনুমতি দেবে কেন্দ্র। উচ্চশিক্ষার উন্নতিতেও জোর দেওয়া হয়েছে। ইসরোর প্রাক্তন প্রধান কে কস্তুরিরঙ্গনের নেতৃত্বাধীন প্যানেলওই খসড়া জমা দিয়েছিল গতবছর যখন মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক।

তারপর খসড়াটি পাবলিক ডোমেনে রাখা হয়েছিল যাতে সবাই তাঁদের মতামত দিতে পারেন। এব্যাপারে প্রায় দুলক্ষ পরামর্শ এবং মতামত পেয়েছিল মন্ত্রক। বর্তমানের শিক্ষা নীতি ১৯৮৬ সালে তৈরি হয়েছিল এবং ১৯৯২ সালে পুনর্গঠিত হয়েছিল। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবারের শিক্ষা নীতিতে তাই কিছু পরিবর্তন করছে সরকার।

Related Articles

Back to top button
Close