fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

ঈগলের কামড়ে ড্রাগন! ৯ কোটি চিনা নেতাদের নিষেধাজ্ঞার পথে আমেরিকা

সংবাদসংস্থা, ওয়াশিংটন: চিনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) নয় কোটিরও বেশি সদস্যের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরিকল্পনা করছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই এই আদেশের একটি খসড়া তৈরি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, চিনে ক্ষমতাসীন দলটির সদস্যদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে এর আওতায় পড়বেন দেশটির শীর্ষ ধনী এবং ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা। নতুন নির্বাহী আদেশে আমেরিকায় বসবাসরত সিসিপি সংশ্লিষ্ট ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ভিসাও বাতিল করা হতে পারে। শুধু চিনা কমিউনিস্ট পার্টির ৯ কোটি ২০ লক্ষ সদস্যই নয়, চিনের সশস্ত্র বাহিনী পিপলস লিবারেশন আর্মির সব কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদেরও আমেরিকা ভ্রমণের সুবিধা সীমিতকরণ বা পুরোপুরি নিষিদ্ধের পরিকল্পনাও করছে ওয়াশিংটন।

নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বক্তব্য, সিসিপির অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের সাজা হওয়া দরকার। সাম্প্রতিক সময়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলটির সদস্যদের বৈষম্য অনেক বেড়ে গেছে বলেও দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে, নিষেধাজ্ঞার গুঞ্জনের বিষয়ে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চানইং বলেছেন, “এ খবর যদি সত্যি হয় তাহলে সেটি হবে ট্রাম্প প্রশাসনের নেয়া ‘উৎপীড়ক কৌশল’। চিন যা করছে তার সবকিছুই হুমকি মনে করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর।”

উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই, উইঘুর মুসলমানদের ওপর নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে চিনের উচ্চ পদস্থ চার কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে যুক্তরাষ্ট্র। এদের মধ্যে একজন হলেন কমিউনিস্ট পার্টি বা সিপিসি’র পলিটব্যুরোর সদস্য চেন কুয়াংগু। বাকিদের মধ্যে ছিলেন জিনজিয়াং প্রদেশ কমিউনিস্ট পার্টিরপ্রাক্তন পার্টি সেক্রেটারি ঝু হাইলুন ও হুয়ো লিউজুন এবং জিনজিয়াং পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরোর পরিচালক ও পার্টি সেক্রেটারি ওয়াং মিংশান। নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ পদাধিকারী চিনা পলিটব্যুরোর সদস্য চেনের বিরুদ্ধে উইঘুরসহ অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর নজরদারি, বন্দী করা, জোরপূর্বক দীক্ষাদানের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। শুধু তাই নয়, গত ১৫ জুলাই চিনের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইনের প্রতিক্রিয়ায় হংকংয়ের বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা বাতিল করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সংক্রান্ত নির্বাহী এক আদেশে স্বাক্ষরও করেন তিনি।

Related Articles

Back to top button
Close