fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম ব্যবহারের কোনো অধিকার নেই আমেরিকার: জার্মানি

বার্লিন: ‘ইরানের বিরুদ্ধে স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম ব্যবহার করার কোনো অধিকার নেই আমেরিকার।’ ২০১৫ সালে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতার প্রতি ইউরোপীয় দেশগুলির প্রতিশ্রুতির কথা আবারও নিশ্চিত করতেই এমন মন্তব্য করেছেন জার্মানির বিদেশ মন্ত্রী হেইকো মাস।

এক সাক্ষাৎকারে হেইকো মাস বলেন, ‘আমেরিকা যেহেতু পরমাণু সমঝোতা ছেড়ে চলে গেছে, সে কারণে স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম ব্যবহার করে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিষেধাজ্ঞা ইরানের ওপর পুনর্বহাল করার অধিকার আমেরিকার নেই।’ আমেরিকার বিরুদ্ধে জার্মানি, ফ্রান্স এবং বৃটেনের বর্তমান অবস্থানের কারণ কি-এমন এক প্রশ্নের জবাবে জার্মান বিদেশ মন্ত্রী বলেন, ‘ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের জার্মানিও পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তিন দেশ চায় পরিপূর্ণভাবে সমঝোতা বাস্তবায়িত হোক। আমেরিকা ২০১৮ সালে এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে; ফলে স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করার কোনো অধিকার তাদের নেই।’

এদিন, হেইকো মাস বলেন, ইউরোপের এই তিন দেশ কথিত মেকানিজম ব্যবহারের ব্যাপারে সুস্পষ্ট নীতি অনুসরণ করছে এবং তারা বিশ্বাস করে পরমাণু সমঝোতায় অংশ নেয়া দেশগুলোই শুধুমাত্র রাষ্ট্রপুঞ্জকে ইরানের ব্যাপারে অভিযোগ করতে পারে এবং স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম ব্যবহার করতে পারে। তিনি বলেন, ‘মার্কিন প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছেন কিন্তু ইউরোপের তিন দেশ তার পক্ষে নেই বরং এর বিরুদ্ধে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং আমরা আমেরিকার সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করবো না।’

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত হওয়ার ৩ দিনের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে ফিরে এলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সরাসরি আমাদের বিদেশ মন্ত্রীকে রাষ্ট্রপুঞ্জকে জানানোর জন্য নির্দেশ দিচ্ছি যে ইরানের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে যত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত রয়েছে সেগুলি আমরা আবার চালু করতে চাই।’ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই নির্দেশ মেনেই রাষ্ট্রপুঞ্জে চিঠি পাঠান মাইক পম্পেও।চিঠিতে দাবি করা হয়, ‘রাষ্ট্রপুঞ্জের ২২৩১ প্রস্তাবনার আওতায়— বিশ্বের ছয় পরাশক্তির সঙ্গে ইরানের চুক্তি হয়। কিন্তু, ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির মারাত্মক লঙ্ঘন করছে ইরান। তাই যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞাগুলি পুনর্বহাল করার অধিকার রাখে।’ এরপরও একাধিকবার ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দেন মার্কিন বিদেশ মন্ত্রী মাইক পম্পেও।

Related Articles

Back to top button
Close