fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

আমি শুনেছি যে ভাইস প্রেসিডেন্ট হতে যা যা প্রয়োজন সেই যোগ্যতা কমলার নেই: ট্রাম্প

ওয়াশিংটন,(সংবাদ সংস্থা): ডেমোক্র্যাটিক দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ভারতীয় ও কৃষ্ণাঙ্গ বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসের মার্কিন নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলা হ্যারিসের অংশগ্রহণের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ট্রাম্প।

এ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আজ শুনেছি তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা নেই। আমি জানি না এটি সত্য কিনা। আমার মনে হয় ডেমোক্র্যাটরা বিষয়টির সত্যতা যাচাই করবে।’ উল্লেখ্য, এর আগে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মার্কিন নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে ১৯৬৪ সালের ২০ অক্টোবর জন্ম নেয়া কমলা হ্যারিসের বাবা জ্যামাইকান, মা ভারতীয়। ডেমোক্র্যাট এ নারী সিনেটরের যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে বসার ‘সাংবিধানিক যোগ্যতা আছে কিনা’ সম্প্রতি মার্কিন এক আইনের অধ্যাপক এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ ও চতুর্দশ সংশোধনীর দিকে ইঙ্গিত দিয়ে অধ্যাপক ইস্টম্যান বলেন, “কমলা হ্যারিসের জন্মের সময় তার বাবা-মা দুজনেরই যদি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি না থাকে, তাহলে জো বাইডেনের এ রানিং মেটের সম্ভবত ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে বসার যোগ্যতা থাকে না।” এই বক্তব্যকেই সামনে রেখে ট্রাম্প বলেন, “আমি আজই শুনেছি যে ভাইস প্রেসিডেন্ট হতে যা যা প্রয়োজন; তা নাকি তার (কমলা) নেই। যে আইনজীবী এটা লিখেছেন তিনি খুবই যোগ্যতাসম্পন্ন, খুবই মেধাবী আইনজীবী।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি খুবই গুরুতর বিষয়, আপনারা বলছেন, আরও অনেকে বলছেন যে তিনি (কমলা) সাংবিধানিকভাবে যোগ্যতা অর্জন করেননি। কেননা তিনি এদেশে জন্মই নেননি।”

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যৌথভাবে তুলোধোনা করলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন ও তাঁর রানিংমেট কমলা হ্যারিস। বলেছেন, “ট্রাম্প একজন অযোগ্য নেতা। তিনি আমেরিকাকে বিভক্ত করেছেন। দেশের ঐক্য ছিন্নভিন্ন করেছেন। যোগ্য ও যথাযথ নেতৃত্বের অভাবে আমেরিকা কাঁদছে। আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে ট্রাম্পকে সরিয়ে আমেরিকাকে ‘নতুন করে নির্মাণের’ জন্য আমাদের সংকল্প নিতে হবে।”

অন্যদিকে, বাইডেন ও হ্যারিসকে পাল্টা আক্রমণ করেছেন ট্রাম্পও। তিনি বলেছেন, “হ্যারিস ইতিমধ্যে নিজের নির্বাচনী লড়াই থেকে নুড়ি পাথরের মতো নিচে গড়িয়ে পড়েছেন।” আর নির্বাচনে বাইডেন জিতলে মার্কিনিদের চিনা ভাষা শিখতে হবে।

Related Articles

Back to top button
Close