fbpx
আন্তর্জাতিকআমেরিকাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

মুখে মাস্ক নেই, যুক্তি তর্কে রুল বুক অমান্য করে প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটে মুখোমুখি হলেন ট্রাম্প-বিডেন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: মুখে মাস্ক নেই, রুম বুক অমান্য করা হলো বারবার, যুক্তি-তক্কো নিয়ে আগ্রাসী ছিলেন দু’পক্ষই।  দু’‌লক্ষ মানুষের মৃত্যু, লক্ষাধিক মানুষ কর্মহীন, কার্যত ধ্বসে গিয়েছে মার্কিন অর্থনীতি, এমন কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে গোটা দেশ দুই রাষ্ট্রনেতার মুখের দিকে তাকিয়ে ছিল। কিন্তু স্পটলাইটে দাঁড়িয়ে দুই সত্তরোর্ধ্ব ‘তরুণ’‌ যে ‘‌চুলোচুলি’‌ করলেন, তা দেখে রীতিমতো হতবাক সঞ্চালক ক্রিস ওয়ালেস।

একটি বিতর্কসভায় কিছু নিয়ম থাকে। যা না মানলে সেটিকে অন্তত ‘‌বিতর্কসভা’ বলা যায় না। কিন্তু প্রত্যেকবার মডারেটার ক্রিস ওয়ালেস বিডেনকে প্রশ্ন করার পরেই ট্রাম্প উত্তর দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। ওয়ালেস বারবার রুলবুকের কথা মনে করিয়েছেন ট্রাম্পকে। বাইডেনও এমন কাজ করেননি, তা নয়। বাইডেন করোনার প্রসঙ্গ তুলে রিপাবলিকান সরকারের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি, ‘‌ট্রাম্প অপেক্ষা করেছেন, অপেক্ষা করেছেন এবং অপেক্ষা করেছেন। এখনও তাঁর হাতে কোনও পরিকল্পনা নেই। ৭০ লক্ষ মানুষ সংক্রামিত হয়ে গেলেন ভাইরাসে।’ যদিও ট্রাম্প‌ নিজের একটি পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন। ‘‌আমি স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতির জন্য ওষুধের দাম কমিয়ে দেব ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ।’

গত সপ্তাহে নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প ২০১৬ সালে মাত্র ৭৫০ ডলার আয়কর দিয়েছিলেন। এবং ২০০০ সাল থেকে শুরু করে বিগত ১৫ বছরের মধ্যে অন্তত ১০ বছর কোনও করই তিনি দেননি। ক্রিস ওয়ালেস এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন করেন ট্রাম্পকে। তাঁর যুক্তি, ‘‌সম্পূর্ণ ভুয়ো খবর। আমি মিলিয়ন ডলার আয়কর দিয়েছি। কিন্তু সত্যি বললে আমি কর দিতে চাই না। তাও আমি দিয়েছি।’

বাইডেন ট্রাম্প ও তাঁর দল রিপাবলিকানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে জানিয়েছেন, তাঁরা বাইডেনের ছেলের নামে খারাপ কথা বলেছেন। ‌

পাশাপাশি করোনা আবহে মধ্যেও এই বিতর্কে অংশগ্রহণকারী দুই বিশিষ্ট ব্যক্তির কারো মুখেই দেখা মিলল না মাস্কের। দুই নেতার এবং অসচেতন মনোভাব দেখে বিস্মিত মার্কিন মুলুক।

Related Articles

Back to top button
Close