fbpx
গুরুত্বপূর্ণলাইফস্টাইলহেডলাইন

হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার আপনার বিপদ ডেকে আনছে না তো!

বিপাশা চক্রবর্তী, কলকাতা: বর্তমানে করোনা আবহে এখন আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন থাকা এই সময় আলাদা একটি মাত্রা পেয়েছে। বেড়েছে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গ্লাভসের ব্যবহার।
ওয়ার্ক ফ্রম হোমের আবহ কাটিয়ে এখন অনেকেই অফিসমুখী। তাই বেশিরভাগ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করা ছাড়াও ব্যাগের মধ্যে স্যানিটাইজার রাখছেন। বাসে যেতে, অফিসে ঢুকে, কাজের মাঝখানে, খাবার খাওয়ার আগে হাত স্যানিটাইজ করে নিচ্ছেন।

যতদিন না পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের কোনও টিকা বা ওষুধ আমরা আমাদের হাতের নাগালের মধ্যে পাচ্ছি ততদিন এইভাবেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিচ্ছে সাধারণ মানুষ থেকে অফিসযাত্রীরা। রাস্তায় বের হলে তাই নাক, মুখ মাস্কে ঢাকতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যেখানে হাতের কাছে জল নেই, সেক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ভালো করে জীবাণু মুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত সোমেন মিত্র, শোকস্তব্ধ রাজনীতি মহল

কাজেই দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিককালে একলাফে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চাহিদা। বেশির ভাগ হ্যান্ড স্যানিটাইজারে মূল উপাদান হল অ্যালকোহল, যা ত্বককে জীবাণুমুক্ত করতে সাহায্য করে। কিন্তু আবার ওই অ্যালকোহলের প্রভাবেই ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে যেখানে হাতের কাছে জল নেই, একমাত্র সেখানেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। বাদ বাকি সময় সাবান দিয়েই হাত ভালো করে জীবাণুমুক্ত করুন।

আরও পড়ুন:২৫ বছর আগে আজকের দিনেই ভারতে প্রথম ‘হ্যালো’ বলেছিলেন জ্যোতি বসু

 

স্যানিটাইজারের ব্যবহার সম্পর্কে বিশিষ্ট চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কথাকলী চ্যার্টার্জি জানালেন, বার বার স্যানিটাইজারের ব্যবহার চর্মরোগ ডেকে আনতে পারে। আর যাদের ত্বকে আগে থেকেই কোনও চর্মরোগের সমস্যা আছে, স্যানিটাইজার ব্যবহার সেই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।

তবে বাড়িতে থাকলে হাত পরিষ্কার করার জন্য স্যানিটাই্জার ব্যবহারের কোনও প্রয়োজন নেই। তবে রাস্তায় বের হলে, বা যারা অফিসে যাচ্ছে তারাই স্যানিটাইজ ব্যবহার করবে। আর অর্থাৎ স্যানিটাইজারের ব্যবহার একটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। যেখানে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া সম্ভব হচ্ছে না, সেখানে আমরা স্যানিটাইজ ব্যবহার করব।

তবে যারা অফিসে বের হচ্ছে দিনে কতবার স্যানিটাইজ করবে সেইরকম কোনও বিধিনিষেধ নেই। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে যত বেশি স্যানিটাইজার ব্যবহার তত বেশি এগজিমা হওয়ার সম্ভবনা দেখা দেবে। চামড়া খসখসে হয়ে যেতে পারে।

যেহেতু স্যানিটাইজারের মধ্যে অ্যালকোহল থাকে তাই এটির অতিরিক্ত ব্যবহার থেকে এই ক্ষতির সম্ভবনা থেকেই যায়। কারণ অ্যালকোহলের ব্যবহার ত্বকের ক্ষতি করে।

তবে এই সমস্ত সমস্যা এড়ানোর জন্য হ্যান্ড-গ্লাভস হাতে পরে স্যানিটাইজ করা ভালো। এতে ত্বকের ক্ষতি যেমন এড়ানো যায় আবার করোনা থেকে বাঁচতে জীবাণুমুক্তও থাকা সম্ভব।

Related Articles

Back to top button
Close