fbpx
পশ্চিমবঙ্গবিনোদনহেডলাইন

মহানায়কের জন্মবার্ষিকীতে বর্ধমানে বসলো অভিনেতার পূর্ণাবয়ব মূর্তি

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: বাঙালির হৃদয়ে আজও জায়গা করে নিয়ে আছেন মহানায়ক উত্তমকুমার । বৃহস্পতিবার ছিল তার ৯৪ তম জন্মবার্ষিকী। এদিনই শহর বর্ধমানের কাঞ্চননগর রথতলায় সাড়ে ছয় ফুট উচ্চতার মহানায়ক উত্তমকুমারের পূর্ণাবয়ব মূর্তির উন্মোচন করা হল ।

মূর্তিটি নির্মাণ করেছেন বর্ধমানের নীলপুর নিবাসী শিল্পী মঙ্গল পাল । এদিন মহানায়কের মূর্ত্তির উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তমকুমারের পুত্রবধূ মহুয়া চট্টোপাধ্যায়।

বর্ধমান শহরে মহানায়কের মূর্তি বসানোর
প্রধান উদ্যোক্তা কাঞ্চননগরের বাসিন্দা খোকন দাস । তার কথায় প্রায় দেড় লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই মূর্তি নির্মিত হয়েছে। শহর বর্ধমানে মাহানায়কের মূর্তি বসানোর কারণ প্রসঙ্গে খোকন বাবু বলেন, বর্ধমানের সঙ্গে মহানায়কের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে।
তাঁর অভিনয় মাধুর্য মুগ্ধ করতো বর্ধমানবাসীকেও । তাই আজও স্বপ্নের মহানায়ক বর্ধমানবাসীর হৃদয়ে জায়গা করেনিয়ে আছেন । বেশ কয়েকবার বর্ধমানের নানা এলাকায় শ্যুটিং করে গিয়েছেন মহানায়ক ।

বেশ কয়েকদিনের জন্য তিনি বর্ধমানের রায়নায় মুখার্জি বাড়িতে থেকে গিয়েছিলেন। এছাড়া বর্ধমানের মেমারি নিবাসী শিল্পী প্রয়াত ফকিরদাস কুমারের সঙ্গে তাঁর ছিল আত্মিক সম্পর্ক। ফকিরদাস তাঁর বাড়ি থেকে চালভাজা আর নারকেল নাড়ু নিয়ে যেতেন উত্তমকুমারের কলকাতার বাড়িতে । কারণ চালভাজা ও নারকেল নাড়ু ছিল উত্তমকুমার আর সুপ্রিয়াদেবী মনপসন্দ খাবার ।বর্ধমান নিবাসী ব্যবসায়ী প্রয়াত শরৎ কোনার তার প্রতিটি বাড়ির নাম দিয়েছিলেন মহানায়ক ও তার বিখ্যাত ছবিগুলির নামে।

তিনি প্রতিবছর মহা নায়কের জন্মদিন ঘটাকরে পালন করতেন । এতকিছুর পরেই এই শহর বর্ধমানে ছিল না মহানায়কের কোনও মূর্তি । এদিন থেকে সেই আক্ষেপের অবসান ঘটলো বলে মনে করছেন বর্ধমানের উত্তমকুমার অনুরাগীরা ।

Related Articles

Back to top button
Close