fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভ্যাকসিনের স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ রাজ্যপালের, নারাজ নাইসেড

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বুধবার থেকে রাজ্যে শুরু হল করোনা ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল’ রান। এদিন সকালে এই ট্রায়াল রানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। সূত্রের খবর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর প্রথম স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। তার আবেদনের পর তার বয়স এবং শারীরিক পরিস্থিতির কথা বিচার করে সেই আবেদন নাকচ করে দেয় নাইসেড।
প্রসঙ্গত বুধবার বিকেলে নাইসেডের দফতরে গিয়ে প্রথম করোনা ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ফিরহাদ হাকিম ফের বলেন, মানুষের প্রয়োজনে এলে আমি প্রাণ দিতেও রাজি। তাকে প্রথম ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন নাইসেড আধিকারিকরা। কিন্তু এদিন সকালেই আচমকা রাজ্যপালের এই অপ্রত্যাশিত অনুরোধ করায় চমকে যান সকলেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে নিরস্ত করা সম্ভব হয়।
উল্লেখ্য, সারা দেশে ২৪ টি কেন্দ্রে ২৫৮০০ জনকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।  তার মধ্যে এই রাজ্যে ৩ মাসের মধ্যে হাজার জনের দেহে কোভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল করা হবে।
নাইসেড প্রধান শান্তা দত্ত এদিন অনুষ্ঠান শুরুতে বলেন, “অনুষ্ঠান পর্ব মিটে গেলে স্বেচ্ছাসেবকদের আহ্বান জানাব। নথিভুক্ত করা নাম অনুযায়ী নইসেডে স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে আসা হবে। ইতিমধ্যে ৩৫০টি আবেদন জমা পড়েছে। কিন্তু সকলকেই দেওয়া হবে এমনটা নয়। এর আগে  প্রশ্ন উত্তর সহ একাধিক পরীক্ষানিরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাবে স্বেচ্ছাসেবকরা। তারপর রিপোর্ট ঠিকঠাক এলে তাদের শরীরে প্রয়োগ করা হবে ভ্যাকসিন।’
তবে এদিন অনুষ্ঠানে পৌঁছে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের সন্মান জানান রাজ্যপাল। তারপরেই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে করোনা মোকাবিলার সরঞ্জাম দুর্নীতি নিয়ে সরব হন।
তিনি বলেন, “করোনা মোকাবিলায় যথেষ্ট সাহায্য করেছে আয়ুষ্মান ভারত। বিশ্বের করোনা দাপটের মধ্যে আমরা খুব ভালোভাবে সামাল দিয়েছি।” তার পরেই তিনি রাজ্য প্রশাসন কে আক্রমণ করে বলেন, “করোনা চিকিৎসার জন্য রাজ্য যে যে জিনিসপত্র কিনছে, সেই স্তরেও দুর্নীতি ঢুকে পড়েছে। আবার সেই দুর্নীতি বন্ধ করতে তদন্ত টিম গঠন করেছে রাজ্য।  কাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে তার কোনও স্পষ্ট রিপোর্ট নেই। চিকিৎসা সামগ্রী কেনার দায়িত্ব ছিল মুখ্যমন্ত্রীর তৈরি করা কমিটির হাতে। সেই কমিটিই দুর্নীতি করছে। আমি এই বিষয়ে বহুবার কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনও যোগাযোগ করছেন না মুখ্যমন্ত্রী।”

Related Articles

Back to top button
Close