fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিজেপির মহিলা মোর্চার উদ্যোগে আয়োজিত হল গণভাইফোঁটা

মিল্টন পাল, মালদা: ভাই বোনের মধ্যে সম্পর্কের মেলবন্ধন দৃঢ় করতে বিজেপির মহিলা মোর্চার উদ্যোগে আয়োজন করা হল ভাইফোঁটা। বাংলায় নারী শক্তি বার বার ধর্ষিত হচ্ছে তাই নারী শক্তিকে উৎজীবিত করতে এই  ভাইফোঁটা উৎসব যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে দাবি উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মুর। সোমবার মালদার পুড়াটুলী বাঁধ রোড এলাকার বিজেপি কার্যালয়ের অনুষ্ঠানে সাংসদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল সহ জেলা বিজেপি কর্মী সর্মথক ও সাধারণ মানুষ।

বাঙালীর উৎসব গুলির অন্যতম উৎসব ভাই ফোঁটা। ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোটা জমের দুয়ারে পরলো কাঁটা। এই শব্দ গুলির মাধ্যমে বোনেরা ভাইদের মঙ্গল কামনায় ব্রতী হয়। সেই মত এদিন বিজেপির মহিলা মোর্চার উদ্যোগে ভাই ফোটার আয়োজন করা হয়। করোনা আবহে করোনাবিধি মেনে ভাই ফোটা দেয় বোনেরা। এরপর চলে মিষ্টি মুখের পালা। এদিন প্রায় শতাধিক ভাই বোনেদের হাতে ফোটা নেয়। পাশাপাশি সাংসদ খগেন মুর্মু সহ জেলা বিজেপি নেতৃত্বরাও এই ভাইফোঁটায় অংশ নেয়। বিজেপির মহিলা মোর্চার নেত্রী অন্তরা চম্পটি জানান,ভাইয়েদের মঙ্গল কামনায় এদিন এই ভাইফোঁটার আয়োজন করা হয়। সারা বছর ভাই বোনেদের মেলবন্ধন থাকে। তবে বর্তমানে সময় পরিস্থিতে ভাইয়েরা দীর্ঘায়ু হয় মঙ্গল হয় সেই কামনায় এদিন আমরা প্রার্থনা করেছি।

সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, পশ্চিমবাংলায় ভাই বোনেদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করার জন্যই নারীরা অত্যাচারিত আর ধর্ষণের স্বীকার হচ্ছে।আমাদের নারীদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। বর্তমানে ভাই বোনেদের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্ট করা হচ্ছে বাংলায়। তাই ভাই ও বোনেদের মধ্যে সম্পর্ক অটুট করার জন্য বিজেপির মহিলা মোর্চার উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অন্যদিকে মালদার হংশগিরিতে অক্রুরমণি করোনেশন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন এশিয়ান গুরুপের উদ্যোগে ভাইফোঁটার আয়োজন করা হয়। করোনাবিধি মেনে শতাধিন বোনেদের হাতে ভাইফোঁটা নেয় সংগঠনের সদস্যরা। এক মহিলা জানান, এই ধরনের উৎসবে আমরা খুশি। আমরা বাড়ির বাইরে থাকি। স্বাভাবিকভাবেই আমরা ব্রাত্য থাকি। সেই কারনে এশিয়ান গুরুপের যে দাদা ভাইয়েরা এদিন ভাই ফোটা নিতে এসেছে তাদের কাজের মধ্যে তাতে আমরা খুশি আনন্দিত। তারা যাতে সারা বছর ভালো থাকে এদিন এই মঙ্গল কামনা করেছি।

সংগঠনের সদস্য উজ্জবল সাহা জানান, প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠিত করার জন্য এই সংগঠন তৈরি করা হয়। প্রতিবছর এই হংশগিরিতে এসে আমরা ভাইফোঁটা নিয়ে থাকি। কারন এই উৎসবের দিনে তারাও যেন তাদের আনন্দে থাকতে পারে। তাই এদিন তাদের হাতে ভাইফোঁটা নিয়েছি। এরপর তাদেরকে মিষ্টিমুখ ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

Related Articles

Back to top button
Close