fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নাগর নদীর জলে প্লাবিত রায়গঞ্জের ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম, অসহায় অবস্থায় সাধারণ মানুষ

শান্তনু চট্টোপাধ্যায়, রায়গঞ্জ: একটানা বৃষ্টিতে নাগর নদীর জলে প্লাবিত রায়গঞ্জ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা। ঘর-বাড়িতে জল ঢুকে যাওয়ায় বহু মানুষ স্কুলবাড়ি, সরকারী ত্রাণশিবির গুলিতে আশ্রয় নিয়েছে। রায়গঞ্জ ব্লকের বাহিন, জগদীশপুর, মাড়াইকুড়া অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা নাগর নদীর জলে প্লাবিত হয়েছে। জলের নীচে চলে গিয়েছে মাঠের ফসল। ফলে মাথায় হাত পড়েছে চাষীদের। বহু জায়গায় ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

উল্লেখ্য, টানা বৃষ্টির জেরে রায়গঞ্জ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। জেলার অন্যতম বড় নদী নাগর, টাঙ্গন ও কুলিক নদীর জলস্তর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দু’দিন ধরে রায়গঞ্জ ব্লকের জগদীশপুর, বাহিন সহ বেশকয়েকটি পঞ্চায়েত এলাকাতে নাগর নদীর জল ঢুকতে শুরু করে। সোমবার এলাকায় গিয়ে দেখা গেল বাহিনের ভিটিহার, কুমারজোল এই গ্রামীণ এলাকাগুলিতে কোথাও হাঁটুজল, আবার কোথাও কোমর পর্যন্ত জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। পাশাপাশি এই গ্রামীণ এলাকাগুলিতে বিস্তীর্ণ চাষের জমি জলের তলায় ইতিমধ্যেই চলে গিয়েছে। ফলে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির  ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাষীরা৷

[আরও পড়ুন- ফের দাম বাড়ল পেঁয়াজের, মাথায় হাত আমজনতার]

স্থানীয় বাসিন্দা সাবেদ আলী বলেন,” ইতিমধ্যেই প্রায় চার হাজার বিঘা জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। মাঠের সব ধান নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সর্বস্বান্ত হয়ে গেলাম। লকডাউনের ফলে ছেলেরা কাজ হারিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছে। হাতে পয়সা নেই। কীভাবে সংসার চালাবো বুঝে উঠতে পারছি না।” এলাকার অপর বাসিন্দা মহঃ হোসেন বলেন,” টানা সাতদিনের বৃষ্টিতে ধান,শাকসবজি সহ অন্যান্য ফসল জলের তলায়।

কোভিড পরিস্থিতির জন্য এমনিতেই হাতে কাজ নেই। তার উপর বন্যায় গ্রামের মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কিন্তু প্রশাসন উদাসীন। ত্রিপল বা খাদ্যসামগ্রী সঠিক ভাবে দেওয়া হচ্ছে না। শিশু সন্তানদের নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটছে আমাদের।” রায়গঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি মানস ঘোষ বলেন,” বানভাসীদের ত্রাণ শিবিরে সরিয়ে আনা হয়েছে। ত্রিপল,খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বানভাসী মানুষদের পাশে প্রশাসন রয়েছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close