fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞানী অধ্যাপক অমল কুমার মন্ডল সম্মানিত

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : তিনি এখন পরিচিত উদ্ভিদবিজ্ঞানী। প্লান্ট ট্যাক্সোনমি, জীববৈচিত্র্য, বিজ্ঞান ও সমাজের জন্য উল্লেখযোগ্য কাজ করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের নিরিখে ‘সোসাইটি ফর বায়োটিক এন্ড এনভারমেন্টাল রিসার্চ’ (এস বি ই আর) থেকে সম্মানিত ফেলোশীপের জন্য নির্বাচিত হলেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানি এন্ড ফরেস্টের বিভাগীয় অধ্যাপক ড. অমল কুমার মন্ডল। সম্প্রতি তিনি এই সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন।

 

বোটানি এবং ফরেস্টের অধ্যাপক অমলবাবু জানিয়েছেন সম্প্রতি এস বি ই আর এর এডভাইসর অর্ধেন্দু চক্রবর্তীর কাছ থেকে তিনি এই ফেলোশীপ সংক্রান্ত একটি চিঠি পান। অমলবাবুর বাবুর কথায়, “এই ধরনের স্বীকৃতি আরও উন্নত ধরনের কাজ করার জন্য আমাকে উদ্বুদ্ধ করবে। আশা করি ভবিষ্যতেও বিজ্ঞান ও সমাজের কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারব।”

 

আন্তর্জাতিক স্তরের এই সম্মানে স্বভাবতই খুশি বিভাগের সহকর্মী, ছাত্র-ছাত্রী, গবেষক-গবেষিকা, তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রঞ্জন চক্রবর্তী। ২০০৬ সাল থেকে জীব বৈচিত্র্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র দীঘা, মন্দারমনি, সুন্দরবন সহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিবেশের ভারসাম্যের সঙ্গে জীব বৈচিত্র্যের সাযুজ্য রক্ষা করার ক্ষেত্রে তিনি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। অমলবাবুর এই সম্মান বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পালক হিসাবে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ। এই ফেলোশীপের জন্য তাঁকে নির্বাচিত করায় এস বি ই আর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

 

উল্লেখ্য ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত পঞ্চবার্ষিক বিশ্ব উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলনে আলোচক হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন ড.অমল কুমার মন্ডল। তাঁর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সেবছর পাঁচ সদস্যের গবেষকদের একটি দল সেবছর মেলবোর্ন গিয়েছিল। বায়োডাইভারসিটি এন্ড এনভারমেন্ট এই বিষয়ে পশ্চিমবাংলার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের পাঁচটি জেলা মূলতঃ পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পূর্ব মেদিনীপুর ওই এলাকাগুলিতে জীববৈচিত্র্যের উপর কাজ করে অমলবাবুর কাছে ইতিমধ্যে ১০ থেকে ১২ জন গবেষক সম্মানিত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত রয়েছেন।

Related Articles

Back to top button
Close