fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নিয়মবহির্ভূত ভাবে কর্মী নিয়োগের অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে

মিল্টন পাল,মালদা: করোনা সংক্রমণের জেরে লকডাউনের মধ্যে নিয়মবহির্ভূত ভাবে কর্মী নিয়োগের অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হল তৃণমূল। ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদা ব্লকের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে।

তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, কোনরকম বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই এবং প্রশাসনের নির্দেশিকা না মেনেই বিজেপি প্রধান এই কর্মী নিয়োগ করেছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যে পুরাতন মালদার সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা তৃণমূলের অনীক কুমার ঘোষ পুরো বিষয়টি নিয়ে ব্লক প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।

পুরাতন মালদার বিডিও ইরফান হাবিব জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে গত ১০ দিন আগেই লকডাউন চলাকালীন নির্মাণ সহায়কের সাহায্যকারী হিসেবে একজন কর্মী নিয়োগ করা হয়। বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান উকিল মণ্ডলের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে কর্মী নিয়োগের অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। যা নিয়ে পুরাতন মালদা ব্লক জুড়ে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদারকি শুরু করেছে ব্লক প্রশাসন।

পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা তৃণমূলের অনীক কুমার ঘোষ জানিয়েছেন,প্রধান উকিল মন্ডল এবং স্থানীয় বিজেপির কয়েকজন নিয়মবহির্ভূত ভাবে পঞ্চায়েত নির্মাণ সহায়কের সাহায্যকারী হিসেবে একজন কর্মী নিয়োগ করেছেন। যেটা প্রধান কোনমতেই পারেন না। লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে এই নিয়োগ হলো কি করে ? তার জবাব আমরা প্রশাসনের কাছে চেয়েছি। প্রধানের এই বেআইনি কাজ কর্মের বিরুদ্ধেও তীব্র আপত্তি জানিয়েছি।

স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব ও পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা অনীক কুমার ঘোষের অভিযোগ, মোটা টাকার লেনদেনের বিনিময়ে বিজেপি প্রধান বেআইনি ভাবে কর্মী নিয়োগ করেছে। পুরো বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর পাশাপাশি তৃণমূল দলের জেলা নেতৃত্বকেও জানানো হয়েছে। বিজেপি প্রধানের বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত আধিকারিক উজ্জ্বল মিত্র জানিয়েছেন, লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে পঞ্চায়েত কোনভাবেই কর্মী নিয়োগ করতে পারে না। এর বেশি কিছু বলতে পারব না। অভিযোগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে।

যদিও বিজেপি প্রধান উকিল মন্ডলের দাবি, প্রধান ইচ্ছে করলেই কর্মী নিয়োগ করতে পারেন। এখানে নিয়মবহির্ভূত কোনও কাজ করা হয়নি । সরকারি নির্দেশিকা মেনে ওই পদে কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে যে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। বরঞ্চ আমরা সরকারি নির্দেশ মেনে কর্মী নিয়োগ করেছি।

Related Articles

Back to top button
Close