fbpx
পশ্চিমবঙ্গ

ঝাড়গ্রামে গুলি চালিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ প্রধানকে গ্রেফতারের দাবিতে পথ অবরোধ গ্রামবাসীদের

সুদর্শন বেরা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রামের বাছুরডোবা এলাকায় গুলি চালানোর ঘটনায় অভিযুক্ত এনভিএফ কর্মী বিশ্বজিৎ প্রধান (নেড়া) কে এখনও পর্যন্ত কেন গ্রেফতার করা হল না। এই দাবিতে বুধবার সকাল থেকেই ঝাড়গ্রাম শহর লাগোয়া রাধানগর মোড়ে ঝাড়গ্রাম-মেদিনীপুর রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে নিহত তকবির আলির পরিজন ও গ্রামবাসীরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। রাস্তা অবরোধের জন্য আটকে পড়ে বহু যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী গাড়ি।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুর প্রায় সাড়ে বারোটা নাগাদ ঝাড়গ্রাম পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাছুরডোবা এলাকায় একটি ক্রিকেট খেলা দেখতে আসে রাধানগর গ্রামের বাসিন্দা ২৮ বছরের যুবক তকবির আলি। অভিযোগ, দুটো হাতে দুটো বন্দুক নিয়ে তকবির আলিকে হঠাৎ গুলি করে গাইঘাটা এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ প্রধান নামে মেদিনীপুর পুলিশ লাইনে কর্তব্যরত এক এনভিএফ কর্মী। তকবিরকে একটি পায়ে ও একটি মাথার কাছে গুলি করা হয় এবং লোহার রোড দিয়ে মাথা থেতলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিশ্বজিৎ এর বিরুদ্ধে। তকবিরকে উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাকে কলকাতা স্থানতর করা হয়। ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তায় মৃত্যু হয় তকবিরের।

মৃত্যুর খবর রটতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ঝাড়গ্রামের বাছুরডোবা এলাকা। তকবিরের পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে বিশ্বজিতের বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী ও দমকল বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। তকবিরের মরদেহ মেদিনীপুর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয় এদিন ময়নাতদন্তের পর তকবিরের দেহ তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

Related Articles

Back to top button
Close