fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বেহাল রাস্তা সংস্কারের দাবিতে রাস্তার উপর খুঁটি পুঁতে দিলেন ভাতারের কুলনগরের গ্রামবাসীরা

দিব্যেন্দু রায়, ভাতার: দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে গ্রামে চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি। এদিকে আমফান ঘূর্ণিঝড়ের পর থেকে প্রায় দিনই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ফলে বর্তমানে হাঁটু সমান জল-কাদার উপর দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে গ্রামবাসীদের। তাই অবিলম্বে সংস্কারের দাবি জানিয়ে রাস্তা জুড়ে খুঁটি পুঁতে দিলেন ভাতার থানা এলাকার কুলনগর গ্রামের দাসপাড়ার বাসিন্দারা। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, যতদিন না পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার বা নতুন রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে ততদিন গ্রামে ট্রাক্টর , চারচাকা গাড়ি এমনকি গরুর গাড়িও চলাচল করতে দেবেন না। খুঁটি পোঁতাই থাকবে।

জানা গেছে, ভাতার পঞ্চায়েতের কুলনগর গ্রামের সমস্ত পাড়াতেই যাতায়তের রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু সব থেকে শোচনীয় অবস্থায় রয়েছে ১২ নম্বর সংসদ এলাকার কুলাইচণ্ডীতলা থেকে দাসপাড়ার ভিতর দিয়ে উত্তর মাঠের দিকে যাওয়ার রাস্তাটি। অথচ ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলের পাশাপাশি মাঠের যাবতীয় ফসল ঘরে তোলেন গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রায় ১২ বছর আগে রাস্তায় একবার মোড়াম দেওয়া হয়েছিল। তারপর আর রাস্তার কোনও সংস্কার হয়নি। এদিকে চার চাকা গাড়ি, ট্রাক্টর, গরুর গাড়ি যাতায়াতের কারণে রাস্তায় বড় বড় খানাখন্দে ভর্তি হয়ে গিয়েছে।

গ্রামবাসী সন্ন্যাসী দাস, পুতুল দাস, অজয় দাসেরা বলেন, ‘বৃষ্টি হলে আমাদের সব থেকে বিপাকে পড়তে হয়। রাস্তা দিয়ে চলাচল করাই যায় না। বিগত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিপাতের কারণে রাস্তার কোথাও কোথাও এক হাঁটু কোথাও আবার কোমর অব্দি জলকাদা। ফলে আমরা কার্যত গৃহবন্দি হয়ে পড়েছি।

এদিকে রাস্তার এই বেহাল দশার মাঝেই চারচাকা গাড়ি, ট্রাক্টর ও গরুর গাড়ি যাতায়াত করছিল। তাই যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে এই আশঙ্কার কারনে রাস্তার মাঝে মাঝে খুঁটি পুঁতে দিয়েছি। যাতে আর গাড়ি চলাচল করতে না পারে। রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে খুঁটিগুলি ফের তুলে দেওয়া হবে। ততদিন পর্যন্ত রাস্তায় খুঁটি পোঁতাই থাকবে।’ তাঁদের অভিযোগ রাস্তা সংস্কারের জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েতের কাছে বারবার আবেদন জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি।

যদিও ভাতার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান পরেশনাথ চক্রবর্তী বলেন, ‘কুলনগর গ্রামের ওই রাস্তাটি পাকা করার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। শীঘ্রই কাছ শুরু হবে।

Related Articles

Back to top button
Close