fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা মৃতদেহ শ্মশানে সৎকার নিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ, এলাকায় উওেজনা

মিলন পণ্ডা, মারিশদা (পূর্ব মেদিনীপুর): পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় আবার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক বৃদ্ধের। জেলার লাফিয়ে লাফিয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্য বাড়ছে। এনিয়ে আতঙ্কিত জেলাবাসী। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত বৃদ্ধের দেহ পোড়ানোর আগে শ্মশান দেখতে গিয়ে এলাকায় বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন পঞ্চায়েত প্রতিনিধি ও পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকরা। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে সেখান থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় পঞ্চায়েত প্রতিনিধি ও পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকরা।

ঘটনাটি ঘটছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি ৩ ব্লকের মারিশদা মশাগাঁ এলাকায়। বর্তমানে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর বৃদ্ধের দেহটি চণ্ডীপুর করোনা হাসপাতালেই রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূএে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি ৩ ব্লকের মারিশদা নীলপুরে বাসিন্দা অনিল কাণ্ডারের কয়েকদিন করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। পরিবারের লোকেরা স্থানীয় একটি ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা জন্য ভর্তি করেন। বৃদ্ধের চিকিৎসার পাশাপাশি লালারস সংগ্রহ করে পরীক্ষা জন্য পাঠানো হয়। সেই রির্পোটের করোনা পজিটিভ আসে। স্বাস্থ্যদফতরের পক্ষ থেকে তড়িগড়ি করে সোমবার চিকিৎসার জন্য চণ্ডীপুর করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালের বৃদ্ধের মৃত্যু হয়।

বৃদ্ধের সৎকারে জন্য উদ্যোগ হয় প্রশাসনের অধিকারিকরা।বৃদ্ধ যেহেতু করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাই সৎকার করা জন্য তোড়জোড় শুরু করেন।

পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল থেকে দেহ নিয়ে আসার আগে শ্মশান নির্দিষ্ট করতে উদ্যোগী হন পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিক থেকে পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা। মারিশদা নীলপুরের পার্শ্ববর্তী গোপালপুরে শ্মশান থাকলেও সেটি আবার জনবসতি মধ্যে। ফাঁকা জায়গার দেখে বৃদ্ধের দাহ করা হবে বলে সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই মতো মশাগাঁর শ্মশানে দাহ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সেইমতো এদিন কাঁথি ৩ ব্লকের বিডিও নেহাল আহমেদ, পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ কণিষ্ক পণ্ডা, মারিশদা থানার ওসি অমিত দেব সহ পুলিশ আধিকারিকরা মশাগাঁয় যান। শ্মশানের পরিস্থিতি দেখার সময় কিন্তু গ্রামবাসীরা জানতে পেরে সেখানে চলে আসেন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকা কাতারে কাতারে মানুষ এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এখানে দাহ করার ক্ষেত্রে তীব্র আপত্তি তোলেন গ্রামবাসীরা।

পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ কনিষ্ক পণ্ডা বলেন গ্রামবাসীরা চাননি, তাই আমরা সেখান থেকে ফিরে এসেছি। যা পরিস্থিতি দাঁড়াচ্ছে,শুধু করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের জন্য সরকারি উদ্যোগে শ্মশান খুবই প্রয়োজন। নাহলে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকবে। কাঁথি ৩ ব্লকের বিডিও নেহাল আহমেদ বলেন দাহ করার তো ব্যবস্থা করতেই হবে। অন্য কোথাও দাহ করার জন্য শ্মশানের খোঁজ চলছে।

Related Articles

Back to top button
Close