fbpx
একনজরে আজকের যুগশঙ্খগুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

হেরিটেজ তকমা পেতে চলেছে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়

ইন্দ্রানী দাশগুপ্ত, নয়াদিল্লি: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় পেতে চলেছে হেরিটেজ সম্মান। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় যাতে  স্বীকৃতি পায়, সে বিষয়েও সচেষ্ট হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে বিভিন্ন রকমের আন্তর্জাতিক মানের প্রেজেন্টেশন তৈরি করা হচ্ছে। যা বিশ্বের দরবারে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্ট এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এনে দেবে সেরার সম্মান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উৎসাহ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে ইতিমধ্যেই সেই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর।

রবীন্দ্রনাথের ঐতিহ্যমন্ডিত বিশ্বভারতী নিয়ে বরাবরই আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।‌ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে বলা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে তারা ক্ষমতায় এলে বিশ্বভারতীকে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় রূপে উপস্থাপন করবে  কেন্দ্র। সেই সঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৈপ্লবিক সিদ্ধান্তগুলিকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নতুনভাবে তুলে ধরা হবে। তবে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় না এলেও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে নিজেদের যাবতীয় চিন্তাভাবনাকে বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় সরকার।

যার প্রথম পদক্ষেপ হল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে হেরিটেজ রূপে ঘোষণা করা। এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আগেই কেন্দ্র এই ঘোষণা করতে পারে। এমনকী এও জানা গিয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে হেরিটেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতির ঘোষণা করতে পারেন। এর আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় হেরিটেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেয়েছে ।

শুধু হেরিটেজ ঘোষণা নয়, আন্তর্জাতিক শিক্ষাক্ষেত্রে যাতে রবীন্দ্রনাথের চিন্তাভাবনা এবং শিক্ষা সংক্রান্ত তাঁর যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা কতটা সময়োপযোগী, সেই বিষয়টি নিয়েও প্রচুর আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাপত্র এবং বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন তৈরি করছে কেন্দ্র। এই নিয়ে একাধিক উপস্থাপনা তৈরি করার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে শুরু হয়েছে এই কাজ। মূলত এই সমস্ত কাজের জন্যই বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক।

Related Articles

Back to top button
Close