fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

উত্তরবঙ্গে আরও নজরদারি চাই, রাজ্য সরকারকে চিঠি কেন্দ্রীয় দলের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে আরও নজরদারি চাইছে কেন্দ্রীয় দল, এই মর্মে  রাজ্য সরকারকে চিঠিও দিয়েছেন তারা। লকডাউন কার্যকরী করা-সহ বেশ কয়েকটি সমস্যার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে ওই চিঠিতে। শনিবারই ওই চিঠি রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং জলপাইগুড়ির ডিভিশনার কমিশনারকে পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় দলের প্রধান বিনীত জোশী চিঠিতে ঊল্লেখ করেছে, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের বিধিনিষেধ আরও কড়া ভাবে মানার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ‘লকডাউন পর্যবেক্ষণ করতে এবং সে ব্যাপারে তথ্যাদি দেওয়ার জন্য আরও বেশি সংখ্যক ফিল্ড অফিসার প্রয়োজন।” একই সঙ্গে তাঁরা যে বার বার চাওয়া সত্ত্বেও পর্যাপ্ত তথ্য পাচ্ছেন না, চিঠিতে সে কথাও উল্লেখ করেছেন বিনীত। পাশাপাশি ওই চিঠিতে পুলিশ কমিশনার কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন না বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ কমিশনারকে একাধিক বার বৈঠকে বসার অনুরোধ জানানো হলেও বিষয়টা এখনও ফলপ্রসূ হয়নি বলেই অভিযোগ করেছেন বিনীত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গাইডলাইন মেনে তৃণমূল স্তরে লকডাউন কার্যকরী করা এবং তার পর্যবেক্ষণ নিয়ে পুলিশ কমিশনারের সবিস্তার তথ্য দেওয়া যে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তা-ও এ দিনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন হাসপাতাল এবং বাজার পরিদর্শন করে কেন্দ্রীয় দলটি। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ সংলগ্ন শান্তিনিকেতন আবাসন এবং শিলিগুড়ি শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাণীমন্দির স্কুলে কোয়রান্টিন সেন্টার ঘুরে দেখে তারা। বিকেলের দিকে তারা যায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।

আরও পড়ুন: এবার লকডাউনে বাড়তি ছাড় দিল কেন্দ্র…

এর পাশাপাশি, উত্তর ২৪ পরগনায় ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’-এ গেল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। শুক্রবার দুপুরের আচমকাই ৪ জনের দলটি হাজির হয় জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরে। সেখানে ঘণ্টাখানেক আলোচনা করে তাঁরা জেলায় করোনা সংক্রান্ত সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য নেন। তারপর কলকাতায় ফিরে যান। CMOH জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় দলটির সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করা হয়েছে। CMOH-এর কাছ থেকে জেলার করোনা পরিস্থিতি কেমন, কতজন আক্রান্ত, কোথায় হাসপাতাল, কোথায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, সেখানে কতজন ভরতি, লকডাউন কেমন চলছে – খুঁটিনাটি প্রতিটি বিষয় জানতে চান। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তাঁদের সমস্ত তথ্য দেন।

কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি হয়েছে এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। সেখানে কতজন নজরবন্দি, কতজনের চিকিত্‍সা চলছে, এসব জানতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। উত্তর ২৪ পরগনার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তপন সাহা জানিয়েছেন, ‘ওনারা যা যা জানতে চেয়েছিলেন, সমস্ত তথ্য দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করা হয়েছে।’ অন্য দিকে, কলকাতায় থাকা কেন্দ্রীয় দলটি গত কাল ডুমুরজোলা কোয়রান্টিন সেন্টার হয়ে উলুবেড়িয়ায় সঞ্জীবন হাসপাতাল ঘুরে সালকিয়া পরিদর্শন করে। এই জায়গাগুলি ঘুরে দুই কেন্দ্রীয় দলের কী অভিজ্ঞতা হয়েছে, তার একটি প্রাথমিক রিপোর্ট কেন্দ্রকে পাঠানো হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

 

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close