fbpx
কলকাতাহেডলাইন

মিডিয়াকে হুঁশিয়ারি,’বিরোধীরা শকুন, এই সংকটেও রাজনীতি? মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ রাজ্যপালের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: গত দিন ধরে একনাগাড়ে সংঘাত চলছে রাজভবন এবং নবান্নের মধ্যে। করোনা সংক্রমণের মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে বার বার নানা রকম অসন্তোষ প্রকাশ করছেন রাজ্যপাল। কখনও মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা পত্রাঘাত করছেন। কখনও অন্য মন্ত্রী বা সাংসদ রাজ্যপালের অভিযোগের জবাব দিচ্ছেন। সেই সংঘাত বৃহস্পতিবারও থামল না। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে দৃশ্যত মেজাজ হারিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্দিষ্ট করে কারও নাম না করলেও বলেছিলেন, ‘শকুনের মতো তাকিয়ে রয়েছে কখন একজন মারা যাবে’। বৃহস্পতিবার তা নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর।

এদিন, রাজ্যপাল প্রথমেই লিখেছেন, ”কোভিড-১৯-এর মোকাবিলায় সব দলকে মিলেমিশে কাজ করতে আবেদন জানাচ্ছি।” তার পরের বাক্যেই ধনকর নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ”বিরোধীদের আচরণ মৃতদেহের অপেক্ষায় থাকা শকুনের মতো,” মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে তিনি ব্যথিত বলে লিখেছেন ধনকর। তাঁর কথায়, ”এখন আমাদের মাথার উপরে ছাদ ভেঙে পড়ার অবস্থা এবং খুচরো রাজনীতি বন্ধ করতেই হবে।”

আরও পড়ুন: বাজার দরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেকার সংখ্যা!

সংবাদমাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী ভয় দেখাচ্ছেন বলেও রাজ্যপাল এ দিন তোপ দেগেছেন টুইটারে। বৃহস্পতিবার সেই প্রসঙ্গেই রাজ্যপাল বলেন, মিডিয়াকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে। আমি দেখেছি, এবং দেখে খারাপও লেগেছে যে নানা ভাবে মিডিয়াকে কন্ট্রোল করা হচ্ছে। অথচ লুকনোর কিছুই থাকতে পারে না। তাঁর কথায়, ‘স্বাধীন সংবাদমাধ্যম হল মেরুদণ্ড, গণতন্ত্রের অপরিহার্য অঙ্গ। কেন তাদের চাপে রাখা হচ্ছে?’ শুধু তা নয়, রাজ্যপাল তাত্‍পর্যপূর্ণ ভাবেই বলেন ২০১১ সালে ইজিপ্ট, লিবিয়া, তিউনেশিয়াতে স্বেচ্ছাচারী শাসকদের গদিচ্যূত করতে মুক্ত ও স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা ছিল অসামান্য। রাজ্যপালের এই মন্তব্যের পাল্টা কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি শাসক দল।

 

Related Articles

Back to top button
Close