fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণব্লগহেডলাইন

সকল সমীক্ষা ফেল… সাইবার হ্যাকিং ছিল না, জয়ের পথে ট্রাম্প?

ট্রাম্প ফ্লোরিডা, ওহাইও, টেক্সাস, মিশিগান পেনসিলভানিয়া যথেষ্ট এগিয়ে, পুরো ফলাফল এখনো আসেনি, তবে ট্রাম্প বিজয়ী হচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু ইলেকটোরাল ভোট নয়, পপুলার ভোটেও তিনি জিতছেন। ট্রাম্প শেষ বিতর্কে বলেছিলেন, তাঁরা হাউস জিততে পারেন, সেটি হবে কিনা তা এখনই স্পষ্ট নয়, তবে হোয়াইট হাউস, সিনেট, কংগ্রেস এর দখল কার হাতে যাবে, তা সকল ভোট গণনা হলেই চূড়ান্তভাবে জানা যাবে। সিনেটে এখন ৫৩-৪৭, রিপাবলিকান-ডেমোক্রেট, ২৩জন রিপাবলিকান এবং ১২জন ডেমোক্রেট সিনেটর এবার নির্বাচন করছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় দল ৪০-৪০ ছিলো।

রাত পৌনে ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ট্রাম্প যেসব ষ্টেট জিতেছেন বা জয়ের পথে রয়েছেন, সেগুলো হচ্ছে, কেন্টাকি\8টি ইলেকটোরাল ভোট; সাউথ ক্যারোলিনা/৯; টেনেসি/১১; ওকলাহোমা/৭; ওয়েষ্ট ভার্জিনিয়া/৫; আরকানসাস/৬; ফ্লোরিডা২৯; জর্জিয়া/১৬; নর্থ ক্যারোলিনা/১৪; মিশিগান/১৬; ফ্লোরিডা/২৯; কেন্টাকি/৮; সাউথ ডাকোটা/৩; পেনসিলভানিয়া/ ইন্ডিয়ানা/১১; মিশিগান/১৬; ওয়েষ্ট ভার্জিনিয়া/৫; ওহাইও/১৮; লুজিয়ানা; ওহাইও/১৮; মেইন/৪ ইত্যাদি।

বাইডেন যেসব স্টেট জিতেছেন বা জয়ের পথে রয়েছেন, তা হচ্ছে: আলাবামা/৯টি ইলেকটোরাল ভোট; মিসিসিপি/৬; ইন্ডিয়ানা/১১; মিজৌরি/১০; ইলিনোয়েস/২০; কানসাস/১১; নিউইয়র্ক/২৯; নিউজার্সি/১৪; ম্যারিল্যান্ড/১০; ম্যাসাচুসেটস১১/ নিউ মেক্সিকো/৫; মিনেসোটা/ ভারমন্ট/৩; ডেলওয়ার/৩; আইওয়া; মিনেসোটা/ কানেকটিকাট; আরিজোনা ইত্যাদি। এনবিসি রিপোর্ট অনুযায় এ সময়ে বাইডেন-ট্রাম্প, ১৯২-১১৪টি ইলেকটোরাল ভোট জিতেছেন। জয়ের জন্যে দরকার ২৭০।

ফ্লোরিডাতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল, কিন্তু ট্রাম্প সামান্য ব্যবধানে জয়ী হচ্ছেন। জর্জিয়াতে মোটামুটি ট্রাম্প সহজ জয় পাচ্ছেন। ইলিনোয়েস ও কানসাসে বাইডেন সহজ জয় পেয়েছেন। নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, ম্যাসাচুয়েটস-এ বাইডেন জিতবেন সবার জানা। আরিজোনায় বাইডেন ভালোই এগিয়ে, এটি রিপাবলিকান শিবির থেকে ছিনিয়ে নেয়া। এজন্যে দায়ী ট্রাম্প, কারণ জন ম্যাককেইনকে তিনি যথেষ্ট নাজেহাল করেছেন। আরিজোনা হয়তো সেই প্রতিশোধ নিলো। নর্থ ক্যারোলিনায় বাইডেন যথেষ্ট পিছিয়ে।

নির্বাচনের দিনেও ট্রাম্প কিছু সময়ের জন্যে নেভাদায় প্রচারণা চালান। বাইডেন সকালের দিকে ফিলাডেলফিয়ায় ছিলেন, এরপর তিনি সস্ত্রীক ডেলোআরে ফিরে যান। কমলা হ্যারিস ও তাঁর স্বামীও একই স্টেট অবস্থান করছেন। এখন থেকেই বাইডেন বিজয় ভাষণ দেবেন অথবা পরাজয় মেনে নেবেন। ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে বিজয় ভাষণ দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? সেখানে ২৫০জন অতিথি তাঁর সাথে রয়েছেন। রাতে হোয়াইট হাউসের সামনে বিএলকে কিছুটা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এদের প্ল্যাকার্ডে লেখা ‘ট্রাম্প-পেন্স আউট নাউ’।
সারাদিন সমগ্র দেশে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে, কোথাও কোন সমস্যা ছিলোনা। তবে ব্যাপক আগাম ভোট হয়েছে বিধায় ভোটকেন্দ্রে তেমন ভীড় পরিলক্ষিত হয়নি। সকাল ও সন্ধ্যায় কোথাও কোথাও কিছু ভীড় ছিলো। এনবিসি বলেছে, রাশিয়া বা ইরানের ‘সাইবার হ্যাকিং’এর কোন আলামত পাওয়া যায়নি। এনবিসি করেস্পন্ডেন্ট আরও বলেন, সকল সমীক্ষা ভেঙে পড়েছে।

এবারের নির্বাচন হচ্ছে, ট্রাম্প ভার্সেস এন্টি ট্রাম্প

শিতাংশু গুহ: আজ মঙ্গলবার ৩রা নভেম্বর ২০২০ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন চলছে। এই রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত ফলাফল জানা যায়নি, তখনও ভোট চলছিলো। সম্ভবত: আজ রাতে পুরো ফলাফল জানা যাবে না। এবারকার নির্বাচনী ফলাফল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ানোর সম্ভবনা উড়িয়ে দেয়া যায়না! ফলাফল এতটাই অনিশ্চিত যে আধুনিক ইতিহাসে এর দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। উভয় পক্ষ বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। এর আগে রবিবার ১ নভেম্বর স্বশরীরে আগাম ভোট শেষ হয়েছে। রেকর্ড ৯৩ মিলিয়ন মানুষ আগাম ভোট দিয়েছেন। ২০১৬-তে যত ভোট পড়েছে, এবার এর ৬৫% মানুষ আগেই ভোট দিয়েছেন?

ন্যাশনাল পর্যায় সমীক্ষায় দেখানো হচ্ছে, বাইডেন ৮% পয়েন্টে এগিয়ে আছেন (৫২-৪৪), যদিও এঁরাই আবার বলছেন, এরপরও ট্রাম্প জিততে পারেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ইলেকটোরাল ভোটে, অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন জাতীয় পর্যায়ে হলেও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রাজ্য পর্যায়ে। ৫৩৮টি ইলেকটোরাল ভোটের মধ্যে যিনি ২৭০টি পান, তিনিই লটারি হিট করেন। শেষ সময়ে বাতাস ট্রাম্পের পক্ষে বইছে। ইউএস-টুডে বলেছে, ট্রাম্পকে একটি ভোট মানে উন্নয়নের পক্ষে ভোট। সোমবারও উভয় প্রার্থী আমেরিকা চষে বেড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জনসভায় করোনা উপেক্ষা করে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ যোগদান করছেন। বাইডেন তেমন বড় জনসভায় যোগ দিচ্ছেন না?

এবারকার নির্বাচন হচ্ছে, ট্রাম্প ভার্সেস এন্টি ট্রাম্প সমর্থকদের মধ্যে, বাইডেন তেমন কোন ফ্যাক্টর নন? নির্বাচনে উভয় পক্ষ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি’র আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। ডেমোক্রেটরা বলছেন, ট্রাম্প পরাজিত হলে ক্ষমতা ছাড়বেন না, তাই সংঘাত অনিবার্য। রিপাবলিকানরা বলছেন, বাইডেন জিতলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক হবে। অনেকের অভিযোগ, রাশিয়া ও ইরান এবার মার্কিন নির্বাচনে নানান ভাবে প্রভাব বিস্তারে চেষ্টা করছে? ফ্লোরিডা ও টেক্সাস এবার নির্বাচনে কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ‘কুক পলিটিক্যাল রিপোর্ট এবং ‘ইনসাইড ইলেকশন’ বলেছে, টেক্সাস নীল হচ্ছে। ভার্জিনিয়া ইনভার্সিটির ল্যারি সাবাটা উল্টো বলছেন, টেক্সাস লাল হচ্ছে।

টেক্সাসের ইলেকটোরাল ভোট ৩৮টি, বাইডেন টেক্সাস জিতলে হোয়াইট হাউস জিতবেন। ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউস থাকতে হলে টেক্সাস ও ফ্লোরিডা জিততে হবে? আমার ধারণা তিনি জিতবেন। ২০১৬-তে যারা ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন, তাঁরা এখনো ট্রাম্পের পেছনে এককাট্টা। কালোদের ভোট এবার তিনি বেশি পাবেন। কোভিড ব্যাতীত তাঁর বিরুদ্ধে বলার কিছু নেই? কোভিডের আগে বেকারত্ব ছিল সর্বনিন্ম ৩.৬%, অর্থনীতি ছিলো তেজিঘোড়া। বহির্বিশ্বে ট্রাম্প জনপ্রিয় নন, কিন্তু তিনি সঠিক। পেনসিলভানিয়ায় এক বিশাল সমাবেশে ট্রাম্প বলেছেন, বাইডেন শুধু কোভিড, কোভিড করছেন? তিনি বলেন, দ্রুত ভ্যাকসিন আসছে। তিনি আরও বলেন, আমরা পেনসিলভানিয়া জিতলে রেস্ ওভার, আমরা হোয়াইট হাউস জিতব।

বাইডেন বলেছেন, ট্রাম্প যাই বলুক না কেন, জনগণকে আর ঠেকিয়ে রাখা যাচ্ছেনা, মানুষ পরিবর্তন চায়। বর্তমানে হাউস বা কংগ্রেস ডেমক্রেটদের দখলে, সিনেট রিপাবলিকানদের। দুই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর বয়স ৭০’র কোটায়, ট্রাম্প ৭৪, বাইডেন ৭৮। ১৮ বছরের মার্কিন নাগরিক ভোটার হতে পারেন। ভোট দিতে হলে বৈধ পরিচয়পত্র দেখাতে হয়। এবার কংগ্রেসের পুরো ৪৩৫টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে, কিছু সিনেট, গভর্নর পদে লড়াই হচ্ছে। ট্রাম্প ও রিপাবলিকানরা আশা করছেন, তাঁরা এবার হাউসে জিতবেন। বাইডেন বা ডেমোক্রেটরা আশা করছেন, হাউস, সিনেট, হোয়াইট-হাউস তাঁরা জিতবেন।

ব্যাটেলগ্রাউন্ড স্টেট

১২ থেকে ১৫টি স্টেট ব্যাতীত প্রায় সকল ষ্টেট মূলত: ডেমক্রেট (নীল) বা রিপাবলিকান (লাল) শিবিরভুক্ত। ওই স্টেট গুলোকে ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড ষ্টেট’ বলা হয়ে থাকে এবং প্রার্থীরা ওই সব স্টেটে প্রচার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। বলা হচ্ছে, এবার ১৩টি ব্যাটেলগ্রাউন্ড স্টেট? এগুলো হচ্ছে, ফ্লোরিডা, টেক্সাস, আরিজোনা, ওহাইও, আইওয়া, মিনেসোটা, মিশিগান, পেনসিলভানিয়া, উইসকনসিন, নেভাদা, নিউ হ্যাম্পশায়ার, জর্জিয়া ও নর্থ ক্যারোলিনা। ২০১৬-তে ট্রাম্প অন্তত: ১০টি স্টেটে জিতেছেন যেখানে ভোটের ব্যবধান ছিলো মাত্র ২%শতাংশ। এইসব স্টেটে ১২৫টি ইলেক্ট্রোরাল ভোট আছে। ট্রাম্প আগেরবার জেতা ৬টি টেস্ট যেমন আরিজোনা, ফ্লোরিডা, মিশিগান, পেনসিলভানিয়া, উইসকনসিন, ও নর্থ ক্যারোলিনা পুনরায় জয়ের জন্যে সর্বস্ব পন করে মাঠে নেমেছেন। এসব ষ্টেটে ১০১টি ভোট আছে। একইভাবে বাইডেন ২০১৬-তে হিলারি ক্লিনটন জেতা ৪টি স্টেট, মেইন, মিনেসোটা, নিউ হ্যাম্পশায়ার ও নেভাদা ধরে রাখতে সচেষ্ট, যেখানে ২৪টি ইলেকটোরাল ভোট আছে।

ওহাইও, না জিতে রিপাবলিকানরা কখনো প্রেসিডেন্ট হননি। টেক্সাস নীল স্টেট নয়, বাইডেন টেক্সাস জিতলে তা হবে ট্রাম্পের জন্যে ব্লো-আউট। নর্থ ক্যারোলিনার ১৫টি ভোট ট্রাম্পকে জিততেই হবে? নেভাদা লাল থেকে নীল হয়েছে, বারাক ওবামা-বাইডেন জুটি এ কাজটি করেছেন। এবারো কি নীল থাকবে? পেনসিলভানিয়ায় জিতে ট্রাম্প ২০১৬-তে হোয়াইট হাউসে যাবার সৌভাগ্য অর্জন করেন। ১৯৮৮-তে জর্জ এইচ, ডবলু বুশ জয়ী হবার পর ট্রাম্প প্রথম রিপাবলিকান যিনি পেনসিলভানিয়া জেতেন। উইসকনসিনে হিলারি হেরেছেন এবং ১৯৮৪’র পর ট্রাম্প একমাত্র রিপাবলিকান যিনি সেখানে জয় পেয়েছেন। মিশিগান ডেমক্রেট ফেভারিটি, ২০১৬-তে ট্রাম্প জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। মিনেসোটা ২০১৬-তে ১.৫% ভোটে হিলারিকে সমর্থন দিয়েছিল। ব্যবধান সামান্য, ভোট ১০টি? নিউ হ্যাম্পশায়ারের ৪টি ইলেকটোরাল ভোট আছে, ডেমোক্র্যাট গত চারটি নির্বাচনে জিতেছেন, এবার কি ট্রাম্প জিতবেন?

ইলেকটোরাল ভোট

জনগণের সরাসরি ভোটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন না? তিনি নির্বাচিত হন, ইলেকটোরাল ভোটে। ৫৩৮টি ইলেকটোরাল ভোট আছে, এর মধ্যে যিনি ২৭০টি ভোট পান, তিনি নির্বাচিত হন। এজন্যে ২৭০-কে ম্যাজিক নাম্বার বলা হয়! জনসংখ্যা অনুযায়ী প্রতিটি ষ্টেটের কিছু ইলেকটোরাল ভোট থাকে। যেই প্রার্থী যেই ষ্টেটে জয়ী হন তিনি সেই স্টেটের সবগুলো ইলেকটোরাল পান। তবে মেইন ও নেব্রাস্কায় ইলেকটোরাল ভোট ভাগাভাগি হয়ে থাকে। মেইনে ৪টি এবং নেব্রাস্কায় ৫টি ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে। ইলেকটোরাল ভোট-ব্যবস্থার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে আল গোর এবং হিলারি ক্লিন্টন পপুলার ভোটে জিতেও প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। ছোট-বড় সকল স্টেটের সমান গুরুত্ব বহাল রাখতে মার্কিন রাষ্টের প্রতিষ্ঠাতারা এ ব্যবস্থাটি করে গেছেন। একই ভাবে এবং একই কারণে প্রতি স্টেট থেকে দুইজন সিনেটর নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

আমেরিকান-ইন্ডিয়ান ও বাংলাদেশিদের অবস্থান

আমেরিকান-ইন্ডিয়ান ভোট এবার মিশিগান, পেনসিলভানিয়া এবং উইসকনসিন-এ ফ্যাক্টর হতে পারে। শুধুমাত্র মিশিগানে ১লক্ষ ২৫হাজার ইন্ডিয়ান ভোট আছে। পেসিলভানিয়াতে ইন্ডিয়ান আমেরিকান ভোট ১লক্ষ ৫৬হাজার। ২০১৬-তে ট্রাম্প প্রায় ৪৩হাজার ভোটে জিতেছেন। উইসকনসিনে ভারতীয় ভোট ৩৭হাজার, ট্রাম্প জিতেছিলেন ২১হাজার ভোটে। ২০১৬-তে ভারতীয় এবং সামগ্রিকভাবে হিন্দুদের ভোট ট্রাম্প পেয়েছেন। জো বাইডেন হয়তো কালো এবং ভারতীয় ভোট ধরে রাখতে কমলা হ্যারিসকে তাঁর রানিং-মেট করেছেন। ভারতীয়দের জন্যে সুবিধা হচ্ছে, ট্রাম্প জিতলে ভালো, কমলা হ্যারিস জিতলে তাঁদের তেমন ক্ষতি নেই! কমলা হ্যারিস কিছু ভারতীয় ভোট টানবেন। বাংলাদেশিরা মূলত: বাইডেন সমর্থক, ২০১৬-র তুলনায় এবার বাংলাদেশিদের মধ্যে ট্রাম্পের সমর্থন অনেক বেড়েছে। বেশিরভাগ বাংলাদেশী সংখ্যালঘু ট্রাম্পের সমর্থক।

ট্রাম্পের সাফল্য

পেনডেমিকের আগে মার্কিন অর্থনীতি ছিলো যথেষ্ট চাঙ্গা, বেকারত্ব ছিলো সর্বনিন্ম ৩.৬%, তিনি ৬৭ লক্ষ নুতন চাকুরী সৃষ্টি করেছিলেন, জ্বালানি তেলে পরনির্ভরতা কমিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছেন, ডেমক্রেট রাজ্যে ক্রাইম বাড়লেও সামগ্রিকভাবে তিনি অপরাধ ১৫% নামিয়ে এনেছেন। সীমান্ত রক্ষায় সফল ও অবৈধ অনুপ্রবেশ একরকম বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন, আরব-ইসরাইল চুক্তি, তালেবান-আফগান চুক্তি স্বাক্ষরে তাঁর অবদান অসীম। সবচেয়ে বড় কথা তিনি কোন যুদ্ধে জড়াননি। শান্তির পক্ষে তাঁর এই অবদানের জন্যে তিনি দু’বার নোবেল শান্তি পুরুস্কারের জন্যে মনোনীত হয়েছেন, যদিও পা’ননি। তার আমলে জিডিপি বছরে প্রায় ৫% বৃদ্ধি পেয়েছে, জাতীয় রাজস্ব ১৭.৭৩ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২১.৪৩ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছিল, যদিও করোনা’র কারণে এখন সেটি দেখা যাচ্ছে না।

(মতামত নিজস্ব)

Related Articles

Back to top button
Close