fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় পুরসভার মানুষের ব্যবহৃত নোংরা জলে জলমগ্ন পঞ্চায়েত এলাকা, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ 

মিল্টন পাল, মালদা: বিজেপি পরিচালিত ওয়ার্ডের জল তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতর বিলে পরায় গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ। আর যার ফলে জলমগ্ন গ্রাম পঞ্চায়েত বিস্তীর্ণ এলাকা। বাড়ি ও এলাকার রাস্তা জলমগ্ন। যার ফলে অবরোধ গ্রামের রাস্তা।  খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গিয়েছে, দীর্ঘ দেড় বছর আগে ঘটা করে ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান নীহার রঞ্জন ঘোষ নিকাশি ব্যবস্থার কাজের সূচনা করেছিলেন। অজানা কারণে নিকাশি ব্যবস্থার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলে পরিস্থিতির ভয়াবহ আকার নেয় এক নম্বর ওয়ার্ডে। পাশাপাশি পুরসভার জল নিকাশি ব্যবস্থা বহাল থাকায় যদুপুর দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকায় পড়তে থাকে পুরসভার বাসিন্দাদের ব্যবহৃত নোংরা জল। যদুপুর দুএ নম্বার গ্রাম পঞ্চায়েতের জগদীশপুর, মহেশপুর সহ একাধিক এলাকার মানুষের বাড়ি ও রাস্তা জলমগ্ন হয়ে যায়। গ্রামের বাসিন্দা রাজকুমারী চৌধুরী বলেন, পুরসভার নিকাশি ব্যবস্থা না থাকার ফলে এলাকার বাসিন্দাদের ব্যবহার করা নোংরা জল আমাদের বাড়িতে চলে আসে। যার ফলে শুখা মরসুমে তো বটেই বর্ষাকালেও বাড়িতে জল জমে যায়। আর যার ফলে বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা যায়। এই নিয়ে বারবার স্থানীয় প্রশাসনকে জানালেও কোনো ভ্রুক্ষেপ করছে না। এদিনও ঠিক একই রকম জল জমে এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। আমরা কোন মতেই জল আমাদের এলাকায় প্রবেশ করতে দেবো না। ফলে এদিন নিকাশীর মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই প্রশাসন অবিলম্বে এর ব্যবস্থা নিক। আর সেই কারণেই আমরা এদিন রাস্তা অবরোধ করেছি।যদিও প্রশাসনের আশ্বাসে আমরা অবরোধ তুলে নিয়েছি।

পাল্টা ইংরেজবাজার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুক প্রভাত দাস বলেন প্রতিবছরই ঘটা করে নিকাশি ব্যবস্থা সূচনা করা হলেও বাস্তবে কোনও কাজ হয় না। আর যার ফলে ভুক্তভোগী হচ্ছি আমারা। নোংরা জলে জলমগ্ন হয়ে যাচ্ছে এলাকা। এদিন আমরাও বাধ্য হয়েছি রাস্তা অবরোধ করতে।  অবিলম্বে নিকাশি ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে আগামী দিনে আমরা বৃহত্তর  আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।

তৃণমূল পরিচালিত যদুপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাজ্জাদ আলী জানান, দীর্ঘদিন ধরেই পুরসভার এলাকার বাসিন্দাদের ব্যবহৃত নোংরা জল আমাদের জগদীশপুর ও মহেশপুর এলাকাতে পরে। আর যার ফলে বাড়ির মধ্যে উঠে যায় নোংরা জল। যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।  এই অভিযোগ আমি দীর্ঘদিন আগে থেকেই পেয়েছি। পুরোসভার কাছে আবেদন করব তারা তাদের নোংরা জল অন্যকথায় ফেলে এলাকার জীবাণুমুক্ত করুক।  এটা আমাদের কোনো বিষয় নয়।

এ বিষয়ে ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক নিহার রঞ্জন ঘোষ জানান, আমরা ঘটনা শুনেছি। এখন লকডাউন প্রক্রিয়া চলছে লকডাউন উঠে গেলে আমরা ওই এলাকার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে। পুলিশি আস্বাসে অবরোধ তুলে নিয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close