fbpx
কলকাতাহেডলাইন

একুশের রণনীতি সাজাতে দিল্লি উড়ে গেলেন বঙ্গ বিজেপি নেতারা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:   মঙ্গলবার একুশে জুলাইয়ের ভারচুয়াল সমাবেশ থেকেই একুশের ভোটের দামামা বাজিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশ জয়ের আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল সুপ্রিমো। এবার পালটা রণনীতি নির্ধারণে কোমর বেঁধে নেমে পড়ছে গেরুয়া শিবিরও। বিধানসভা নির্বাচনের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করতে দিল্লি উড়ে গেলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। টানা একসপ্তাহ ধরে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁদের।

এই বৈঠকের আগের দিনই আবার অমিত শাহের জরুরি তলবে দিল্লিতে পৌঁছেছেন মুকুল রায়। সপ্তাহব্যাপী বৈঠক শুরুর আগেই দলে বা সরকারে মুকুলের সম্ভাব্য ভূমিকা সম্পর্কে অমিত শাহ কথা সেরে নিতে পারেন বলে বিজেপির একটি অংশের দাবি। বুধবার অর্থাত্‍ ২২ জুলাই থেকেই দিল্লিতে বিজেপির এই বিশেষ বৈঠক শুরু হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং বাকি পাঁচ সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে চার জন অর্থাত্‍ সায়ন্তন বসু, রথীন্দ্রনাথ বসু, সঞ্জয় সিংহ ও জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতো যাচ্ছেন সে বৈঠকে যোগ দিতে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে বাংলার দায়িত্ব যে তিন নেতার হাতে, সেই শিব প্রকাশ, কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং অরবিন্দ মেননই মূলত দলের রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে মন্থনে বসবেন। তবে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বি এল সন্তোষ এবং দলের প্রাক্তন সভাপতি তথা দেশের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও এই বৈঠকে যোগ দেবেন বলে খবর দিল্লি সূত্রের। আর অমিত শাহ বৈঠকে যোগ দিলে প্রোটোকলের কারণে বর্তমান সভাপতি জে পি নড্ডা নিজেও উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, একুশের সমাবেশ থেকে বিজেপিকে হারানোর মন্ত্র বলে দিয়েছেন মমতা। বলেছেন, ‘গুজরাট বাংলাকে শাসন করবে না। বাংলাকে চালাবে বাংলার মানুষই। একুশে তৃণমূলই জনগণের সরকার গড়বে। ’মুখ্যমন্ত্রীর হুঙ্কারের পরই নড়েচড়ে বসেছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। করোনা পরিস্থিতি, লকডাউনের মধ্যেও আগামী বছর বাংলা দখলকে পাখির চোখ করেছে রাজ্য নেতৃত্ব। তার আগে সাংগঠনিক শক্তিবৃদ্ধি, দলের ফাঁকফোকর নিয়ে দিল্লিতে হাইকমান্ডের সঙ্গে আলোচনায় বসতে গিয়েছেন নেতারা।

আরও পড়ুন: বাংলায় গণতন্ত্রকে খতম করে হিটলারের থেকে স্বৈরাচারী শাসন চালাছেন, মমতাকে আক্রমণ মান্নানের

বৈঠকের আলোচ্যসূচি নিয়ে কিন্তু রাজ্য বিজেপির নেতারা বিশদে মুখ খোলেননি। রাজ্য বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেছেন, ”রুটিন বৈঠক। দলের কর্মপন্থা নিয়ে বিশদে আলোচনা হবে।” কিন্তু নয়াদিল্লি সূত্রের খবর, প্রায় সপ্তাহব্যাপী এই বৈঠক মোটেই ‘রুটিন’ নয়। বাংলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের দিকে লক্ষ্য রেখে এখন থেকেই কোমর কষে নিতে চাইছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই কারণেই জেলা ধরে ধরে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে লোকসভা আসনভিত্তিক ভাবে আলোচনা করা হবে। কোথায় দলের শক্তি কতটা, দুর্বলতাই বা কী কী, সব বুঝে নেওয়ার চেষ্টা হবে এই বৈঠকে। সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close