fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পাকিস্তান যে ভাষা বোঝে সেই ভাষায় উচিত শিক্ষা দিতে হবে: অধীর চৌধুরী

কৌশিক অধিকারী, বহরমপুর: জম্মু ও কাশ্মীরে পাকিস্তানের গুলিতে শহিদ হয়েছেন নদিয়া তেহট্টের এক জওয়ান। সেই প্রসঙ্গে এবার পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন লোকসভা পরিষদীয় দলনেতা অধীর চৌধুরী। “পাকিস্তান যে ভাষায় বোঝে সেই ভাষায় উচিত শিক্ষা দিতে হবে,” শনিবার বহরমপুরে জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে এই মন্তব্য করেন লোকসভা পরিষদীয় দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী ।

অধীর চৌধুরী বলেন, ‘পাকিস্তান জম্মু কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদীদের মদত করবে, বারবার তারা ভারতীয় সীমান্তে হামলা চালিয়ে ভারতীয় সেনা বাহিনীকে ব্যাতিব্যস্ত করবে। লাদাখ সীমান্তে ভারতীয় সেনা বাহিনীর প্রস্তুতিতে চিন যা চাইছে তা করতে পারছে না, ফলে পাকিস্তানকে নির্দেশ দিয়ে ভারতের জম্মু কাশ্মীর ভ্যালিকে তারা আরও বেশি করে বিরক্ত করার চেষ্টা করবে। এটা সম্পূর্ণ চিনের মদত বলে মনে করি। লাদাখ সীমান্তে ভারতীয় সেনা প্রস্তুতিতে অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে। প্রচন্ড ঠান্ডা পড়ছে ইতিমধ্যেই, দেশের সেনা বাহিনীর উচ্চ তাপে মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাখে। নতুন করে পাকিস্তানে সঙ্গে চিন জম্মু কাশ্মীরে বেশি করে বিরক্ত করে অশান্তিতে রাখতে চাইছে, চিন চাইবে এই সমস্ত করে লাদাখ সীমান্তে সেনা বাহিনী সরিয়ে নিতে চাইছে। লাদাখে ও জম্বু কাশ্মীরে আমাদের দেশের সেনা বাহিনীর দুটি জায়গায় ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। চিন ও পাকিস্তান যৌথভাবে ভারতকে দুর্বল করার চেষ্টা করবে। আমাদের দেশের বীর জওয়ানরা শহিদ হয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার কাছে আবেদন পাকিস্তানকে এর যোগ্য জবাব দিতে হবে, এই হামলা যোগ্য জবাব দিতে হবে। পাকিস্তান যে ভাষায় বোঝে সেই ভাষায় উচিত শিক্ষা দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন অধীর চৌধুরী ।

অন্যদিকে অধীর চৌধুরী পশ্চিমবঙ্গে কোভিড সংক্রমণ মধ্যে রেল চলাচল প্রসঙ্গে বলেন, রেলমন্ত্রী মনে করলেও ইচ্ছা মতো ট্রেন চালাতে পারে না, যতক্ষণ না রাজ্য সরকার বলছে ততক্ষণ পর্যন্ত ট্রেন চালানো যায় না।  রেলমন্ত্রীকে বলার মানে রেল মন্ত্রক যখন কথা বলবে রাজ্য সরকারের সঙ্গে তখন এই বিষয়গুলো মাথায় থাকে। মুলত কাজ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। রাজ্য সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে রেল তার সার্ভিস চালু করবে। কিন্তু যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি হলে রাজ্য পুলিশ কি করবে, পুলিশ কাজ হল তৃণমূল দল তৈরি করা। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রক্ষা করা। তারা কি করে লক্ষ লক্ষ যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করবে বলে কটাক্ষ করেন অধীর চৌধুরী।

আরও পড়ুন: কালী কালী মহাকালী

অধীর চৌধুরী এও বলেন, রাজ্য পুলিশ ও রেলের পুলিশ সংখ্যা কম। সব থেকে আগে সর্তকতা অবলম্বন করতে আমাদের সাধারণ মানুষদের। পশ্চিমবঙ্গ মানুষদের ভগবানের উপর ছেড়ে দিতে হবে, এখন যাতায়াত শুরু হয়েছে মানে সংক্রমণ সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ঠিক রাখা উচিৎ, কিন্তু এই রাজ্যে কোথাও কোনো স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা ঠিক নেই। করোনা রোগীর কোনও চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই, এই চিকিৎসকরা বলছেন। মানুষকে  সতর্কতা অবলম্বন করত হবে বলে মন্তব্য করেন অধীর চৌধুরী।

 

Related Articles

Back to top button
Close