fbpx
দেশহেডলাইন

হাইকমান্ড ক্ষমা করলে দলে স্বাগত পাইলট: গেহলট

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: শচীন ঝড়ে বিপর্যস্থ গেহলট। এখন আস্থাভোটের নাম মুখে নেই।রাজস্থান বিধানসভা অধিবেশনের আগে কিছুটা কি সুর নরম করলেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, শনিবারের বক্তব্যে সেই ইঙ্গিতই মিলছে।  এবার বারবার শচীন পাইলট ও দলের বিদ্রোহী বিধায়কদের ফেরানোর কথা বলছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। এদিন তিনি বলেন কংগ্রেস হাইকমান্ড যদি সচিন পাইলট ও তাঁর ১৯জন সঙ্গীকে ক্ষমা করে দেয়, তবে তিনিও ওই বিধায়কদের ফিরিয়ে নিতে রাজি।

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হতে চলেছে ১৪ই অগাষ্ট থেকে। তার আগে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা শুরু করেছেন অশোক গেহলট। তারই প্রেক্ষিতে এদিন এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন কারোর সঙ্গেই সেই অর্থে টানাপোড়েন নেই। তবে সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা কখনই কাম্য নয়। এদিন তিনি আরও বলেন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে, তা মাথা পেতে নেবেন। গেহলট বলেন রাজস্থানে সরকার ফেলে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। সরকার ফেলে দেওয়া রুখতে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান রাজস্থানে যা হচ্ছে, তা রোখার জন্য। প্রধানমন্ত্রীর রাজস্থানে চলা অচলাবস্থা থামানোর চেষ্টা করা উচিত।

কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতারা যা সিদ্ধান্ত নেবেন, তা চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী। কারণ তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী বানানোর জন্য কংগ্রেসের অবদান অনস্বীকার্য। রাজনৈতিক সংকটের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকেই নিশানা করতেও ছাড়েননি তিনি। আগেই অবশ্য গেহলট দাবি করেছেন, রাজ্যে কংগ্রেসের বিধায়ক ভাঙিয়ে সরকার ফেলার চেষ্টা করছে বিজেপি। এদিকে, শনিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন অধিবেশনের আগে রাজস্থানে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। তাঁর দাবি, ‘আগের চেয়ে ঘোড়া কেনাবেচার দর অনেক বেড়ে গিয়েছে। অনেক বেশি দামে কেনাবেচা চলছে।’

আরও পড়ুন: এবার টিকটক ব্যান করার পথে আমেরিকা

১৪ আগস্ট বিধানসভার অধিবেশনের দিন ঘোষণার পর থেকেই রাজস্থানে ঘোড়া কেনাবেচার দর অনেক বেড়ে গিয়েছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের। এপ্রসঙ্গে গেহলট বলেন, ‘বিধানসভার অধিবেশনের ঘোষণার পরেই বেড়ে গিয়েছে ঘোড়া কেনাবেচার দর। প্রথমে ছিল ১০ কোটি। পরে সেই দর বেড়ে হয় ১৫ কোটি। এখন সেটা আনলিমিটেড। টাকার খেলা চলছে। সবাই জানে এটা কারা করছে।’

শনিবার জয়সলমিরে অশোক গেহলট বলেন, রাজ্যে যা চলছে তা থামামো উচিত প্রধানমন্ত্রী মোদীর। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদীজির উচিত এই ‘তামাশা’ বন্ধ করা। রাজ্যে এখন বিধায়ক কেনাবেচার দর খুব বেশি। বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলে তা আরও বেড়ে যাবে। উল্লেখ্য, দল ভাঙানোর ভয়ে কাঁটা গেহলট তাঁর অনুগত বিধায়কদের জয়সলমিরের এক হোটেলে প্রায় বন্দি করেই রেখেছেন। দাবি করেছেন তাঁর হাতে রয়েছে ১০১ জন বিধায়ক। শনিবারও গেহলট সাংবাধিকদের বলেন, কংগ্রেস হাইকমান্ড যদি বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়কদের ক্ষমা করে তাহলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। সচিন সহ অন্যান্য বিধায়কদের তিনি স্বাগত জানাতে তৈরি।

Related Articles

Back to top button
Close