fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দীপাবলিতে আতশবাজি বন্ধ থাকুক! মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের

অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা: দুর্গাপূজার কিছুদিন আগেই করোনা সংক্রমণের সুনামির আশঙ্কা করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম সংগঠনের সদস্যরা। এবার ফের করোনা পরিস্থিতির জন্যই দূষণহীন দীপাবলির অনুমতি চেয়ে চলতি বছরে বাজি বন্ধের ফের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন চিকিৎসকদের সংগঠন। যদিও এই দাবির আবার পুরোপুরি বিরোধিতা করেছে বাজি ব্যবসায়ীদের সংগঠন।

বুধবারই পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিদায় নিয়েছে বর্ষা। আর বর্ষা বিদায় নিতেই পশ্চিমবঙ্গে বাতাসে বাড়তে শুরু করেছে দূষণের মাত্রা। এর মধ্যে রাজ্যে কোভিডের সংক্রমণ এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এই অবস্থায় যদি দীপাবলীতে বাজির রমরমা হলে তার ধোঁয়ায় তাহলে কোভিডে মৃত্যুর হার অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। এই কারণ উল্লেখ করেউ এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিল ডক্টরস ফোরাম।

তাতে তাঁরা আবেদন জানিয়েছেন যাতে এবারের মতো বাজিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা যায়। নাহলে শ্বাসজনিত সমস্যায় অনেকেরই মৃত্যু ঘটতে পারে। বাতাসে ২০০-র ওপরে পিএম ২.৫’র মান থাকলে তা শ্বাস নেওয়ার জন্য বিপজ্জনক বলে মনে করা হয়। কলকাতা ও আশেপাশের এলাকাগুলিতে গত কয়েকদিন ধরে পিএম ২.৫’র মান ১০০–২০০ ওর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের বক্তব্য, পিএম ২.৫’র মান ২০০ ছাড়ানো খুবই উদ্বেগের। এতদিন লকডাউনের কারণে দূষণমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ফের পুরনো চেহারায় ফিরছে কলকাতা। সেই কারণে দিওয়ালিতে বাজি পুড়লে তা হবে আরও বিপজ্জনক। এর ফলে দীপাবলীর সময়ে শ্বাসজনিত সমস্যায় যারা ভোগেন তাঁদের সমস্যা আরও বেশি বেড়ে যাবেই, এমনকি সমস্যা বাড়বে কোভিড রোগীদেরও।

ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের তরফে চিঠিতে চিকিৎসকরা লিখেছেন, কোভিডের প্রভাবে দেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও এর প্রভাবে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় ফুসফুস। এদের ক্ষেত্রে বাজির ধোঁয়া মারাত্মক হবে। তাই এই বছর রাজ্য সরকার বাজির বিক্রি ও তা পোড়ানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করুক, এমনটাই আর্জি জানিয়েছে ফোরাম।

Related Articles

Back to top button
Close