fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পশ্চিমবঙ্গ বারুদের স্তুপের ওপর বসে আছে, বেলেঘাটা প্রসঙ্গে বললেন রাহুল সিনহা

এই ঘটনা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আগামীদিনে পশ্চিমবাংলা কাশ্মীর হতে চলেছে, মত রাহুল সিনহার

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: যে উদ্বেগ আগে প্রকাশ করতাম, পশ্চিমবঙ্গ বারুদের স্তুপের ওপর বসে আছে এবং পশ্চিমবাংলা আততায়ী ও উগ্রপন্থীদের আশ্রয়স্থল, সেটা আবারও প্রমান করল। বেলেঘাটা বিস্ফোরণ নিয়ে বুধবার দুর্গাপুরে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, “রশিদ খানের বোমা বিষ্ফোরনকে মনে করিয়ে দেয় এই ঘটনা। বেলেঘাটার এই ঘটনা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আগামীদিনে পশ্চিমবাংলা কাশ্মীর হতে চলেছে।”

উল্লেখ্য, বুধবার দুর্গাপুরে একটি সেমিনারে যোগ দিতে এসেছিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা। এদিন প্রধানমন্ত্রীর দুর্গাপুজো উদ্বোধন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “দূর্গাপুজো পশ্চিমবাংলার প্রত্যেকটি মানুষের আনন্দ ও শ্রদ্ধার বিষয়। সেই সময় শুভেচ্ছা বিনিময়টা স্বাভাবিক। বাংলার মানুষকে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়াল মিটিং দ্বারা শুভেচ্ছা দেবেন। এটা বাংলার মানুষের গর্ব এবং অতিরিক্ত পাওনা। এরসঙ্গে কোনওরকম রাজনীতি নেই।”

দুদিন আগে বেলেঘাটায় একটি ক্লাবে বিস্ফোরণের ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যে জঙ্গি কার্যকলাপের প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। এদিন বেলেঘাটার ওই বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “উগ্রপন্থীদের আস্থানা ও মালঘরে পরিনত হয়েছে বাংলা।” তিনি রাজ্য সরকারকে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “যদি এখনও সতর্ক না হয়। ভবিষ্যতে গোটা পশ্চিমবঙ্গ উপদ্রুত এলাকা কাশ্মীরের অবস্থায় গিয়ে দাঁড়াবে। বেলেঘাটার এই ঘটনা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আগামীদিনে পশ্চিমবাংলা কাশ্মীর হতে চলেছে। রাজ্য সরকারের উচিত রাজনৈতিক ভেদাভেদ না দেখে বাংলাকে হিংসামুক্ত করার জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহন করা।”

রাজ্যে অশান্তি প্রসঙ্গে রাহুল সিনহা বলেন, “বাংলার মানুষ হিংসাকে সমর্থন করে না। রক্তের রাজনীতি, খুনোখুনির রাজনীতি শেষ হোক, এটাই বাংলার মানুষের আকাঙ্খা। যারা হিংসার পক্ষে যাবে, বাংলার মানুষের আশীর্বাদ, সমর্থন তাদের পক্ষে থাকবে না।” দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে নাম না করে কংগ্রেসকে আক্রমন করে তিনি বলেন, “নিরব মোদির মত লোককে লোন দিয়েছিল কারা? পাইয়ে দিয়েছিল কারা? দেশের অর্থনীতি নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। মানুষের টাকা নিয়ে নয়ছয় করা হয়েছে। যার জন্য দেশের অর্থনীতির এরকম অবস্থা। ব্যাঙ্কের অবস্থা নিম্নমুখী।”

Related Articles

Back to top button
Close