অফবিটহেডলাইন

সঙ্গীকে চরম সুখ দিতে কী করবেন, জেনে নিন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে শারীরিক খেলায় কে না মাততে চায়। শারীরিক সম্পর্ক যত তৃপ্তিদায়ক হয় ভালোবাসার সম্পর্ক ততই মধুর হয়। তবে শারীরিক সম্পর্কের প্রথম এবং প্রধান শর্ত হল উভয়পক্ষের তৃপ্তি। মাথায় রাখতে হবে আপনার সঙ্গে এই শরীরী খেলায় আপনার সঙ্গিনীও সমানভাবে অংশগ্রহণ করছে। তাই সে যৌনতৃপ্তি অনুভব করছে কিনা সেটা জানা বা দেখা আপনার কর্তব্য।

দিনের শেষে যখন দুটি শরীর মেতে ওঠে চরম উদ্দীপনায়, যখন সঙ্গিনীকে সঙ্গে পৌঁছে যান যৌন উত্তেজনার একেবারে চরমে তখনই তো প্রকৃত অর্থে পূর্ণতা পায় আপানদের প্রেম। আর এক্ষেত্রে নিজের সঙ্গিনীর শরীরকেও সমান ভাবে উত্তেজিত করা একান্ত প্রয়োজনীয়। কিন্তু জানেন কি আপনার সঙ্গিনীর শরীরের এমন কিছু বিশেষ জায়গা আপনার স্পর্শ চড়চড়িয়ে বাড়বে আপনার সঙ্গিনীর শরীরের উত্তাপ।

  • সঙ্গমের পূর্বে নারী দেহের বিভিন্ন স্থান স্পর্শ করলে, ধীরে ধীরে নাড়াচাড়া করলে কাম উত্তেজনা জাগে।
  • সঙ্গমের সময় শরীরের গন্ধ সব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনি যদি আপনার সঙ্গিনীর শরীরের গন্ধ পছন্দ করেন তাহলে সেটা তাঁকে বলুন। দেখবেন এতে আপনার সঙ্গিনীও আরও উত্তেজিত হয়ে উঠবে।
  • মেয়েরা মানসিকভাবেও উত্তেজিত হতে পছন্দ করেন। এমন অনেক মেয়ে আছেন, যাঁদের গোটা প্রক্রিয়াটাই শুরু হয় মস্তিষ্ক দিয়ে। তাঁদের আকৃষ্ট করে সঙ্গীর আবেগ, রসবোধ, বুদ্ধি। এই বিষয়গুলো না থাকলে তাঁরা যে উজ্জীবিত হবেন না, তা বলাই বাহুল্য!

  • অন্তরঙ্গতা বাড়াতে চুমুর বিকল্প নেই, জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যে যুগল ঘন ঘন চুম্বনে অভ্যস্ত, দেখা গেছে দীর্ঘায়িত যৌন মিলনের আনন্দ তাঁরাই উপভোগ করেন।
  • চুমু থেকে আলতো কামড়। উল্টো দিকের মানুষটাকে জাগানোর জন্য ঘাড়ের আদরের মাহাত্ম্যই আলাদা। তাই এটা অবশ্যই পরীক্ষা করে দেখবেন।
  • বেশিরভাগ ভালোবাসার প্রকাশ শুরু হয় হাত ধরার মাধ্যমে। আঙুলে হালকা চাপ, কামড়, এ সবই যৌন কামনাকে গাঢ় করতে তুলতে যথেষ্ট! আবার সঙ্গমের সময় যত শক্ত হবে আপনার হাতের বাঁধন ততই মগ্ন হবে আপনার সঙ্গিনী।
  • শরীরী সুখের ক্ষেত্রে খুব বড়ো ভূমিকা পালন করে কান। কানের লতিতে আলতো কামড়, হালকা আদরই যথেষ্ট আপনার সঙ্গিনীকে পাগল করার জন্য।
  • বাইরে থেকে জি-স্পটে স্টিমুলেট করার সবচেয়ে ভালো উপায় হল তলপেটে আদর। তলপেটের আদর যত গভীর হবে ততই ঘন হবে আপনাদের মিলন।

  • এই অংশেও অসংখ্য স্নায়ু রয়েছে যা অল্পেই দারুণ উত্তেজিত হয়ে পড়ে। তাই প্রেম সাগরে ডুব দেওয়ার আগে পার্টনারের পায়ের পাতায় হালকা হাত বোলাতে কিন্তু একদম ভুলবেন না।
  • ঘর্মাক্ত পুরুষ দেখলে অধিকাংশ নারীর প্রবল যৌন ইচ্ছা তৈরি হয় বলে এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে। আসলে পুরুষের ঘামের সঙ্গে অ্যান্ড্রোস্ট্যাডিএনোন ক্ষরণের ফলে জাগ্রত হয় নারীর যৌন চেতনা।
  • চুড়ান্ত পর্যায়ের আগে ফোর-প্লে অত্যন্ত জরুরি৷ পার্টনারের চাহিদা বুঝুন৷ পুরুষদের জন্য পরামর্শ সঙ্গীর চাহিদা বুঝে তৃপ্তির চরম মুহূর্ত আসা পর্যন্ত ফোর-প্লে চালিয়ে যান৷ আবার উল্টোটাও হতে পারে, সঙ্গী নিজে ফোরপ্লে-তে সক্রিয় হলে তাঁকে তৃপ্ত হওয়া পর্যন্ত আপনিও সক্রিয় হন৷ বাধা দিয়ে ফোরপ্লে-এর মাঝেই জোর করে উপবেশন করবেন না৷ তাতে সুখের বদলে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে পার্টনারের মুড৷

নারীর উত্তেজনার লক্ষণ :-

  • নারী উত্তেজিত হ’য়ে পড়লে এবং কামবিহ্বল হলে তার দু’টি চোখ অর্দ্ধনিমীলিত ও রক্তবর্ণ ধারণকরে।
  • জোরে জোরে নিশ্বাস পড়তে থাকে।
  • চেহারার মধ্যে উত্তেজনার ভাব স্পষ্ট ফুটে ওঠে।
  • হাত পা শিথিল হ’য়ে পড়ে।
  • চোখ বুজে থাকতে চায়।
  • তার লজ্জা কমে যায়, পুরুষ তার অঙ্গস্পর্শ করলে সে তাতে বাধা দেয় না।
  • পুরুষ তার গোপন স্থানে হাত দিলে বা চাপ দিলে সে তা উপভোগ করে।
  • সব রকম ভয়, সঙ্কোচ কাটিয়ে সারাটা দেহই সে পুরুষকে অর্পণ করে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close