fbpx
কলকাতাহেডলাইন

মহিলা জনসংযোগ বাড়াতে তৃণমূলের নতুন হাতিয়ার হোয়াটসঅ্যাপ

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: মহিলাদের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়াতে মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ। তৃণমূল বিমুখ মহিলাদের সঙ্গে জন সংযোগ বাড়ানোর তৃণমূলের নয়া হাতিয়ার। আর এই হাতিয়ারে শান দিয়ে এবার জোড়া ফুল শিবির পৌছে যাবে প্রায় ২ কোটি মহিলাদের কাছে। সেই লক্ষ্যেই রবিবার, ১৬ আগস্ট থেকে সপ্তাহব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘স্বাধীনতার মাস স্বাধীন আকাশ’ নামে একটি কর্মসূচি শুরু করা হল। যার মূল উদ্দেশ্য একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মহিলা মহলকে কাছে টানা। লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছিল, রাজ্যের মহিলাদের একটা বড় অংশ তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়েছে।
ইতিমধ্যেই বাংলার যুব সম্প্রদায়কে টার্গেট করে জোড়াফুল শিবির বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার ৫০ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়  যুব যোদ্ধা প্রতি ১০টি করে পরিবারের দায়িত্ব নিতে বলেছেন। দশটি পরিবার নিয়ে হোয়াটসআপ গ্রুপ বানাতে বলেছেন। সেই একই পদ্ধতিতে এবার মহিলা মহলকে কাছে পেতে উঠে পরে লাগল ঘাস ফুল শিবির। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, দিল্লিতে দলের রণকৌশল-বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, দলের প্রত্যেক কর্মীদের মধ্যে এলাকা ভিত্তিক দল গঠন করে তৈরি করতে হবে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, যেখানে বিরোধী শিবিরের গতিবিধি, রণকৌশল সংক্রান্ত খবরের আদান-প্রদান চলতে থাকবে প্রতিনিয়ত৷ দেখা যাচ্ছে, তৃণমূলও জন সংযোগ বাড়াতে বিজেপির স্টাইলেই হোয়াটসঅ্যাপকে অস্ত্র বানাতে চাইছে।
এই নতুন কর্মসূচিতে প্রায় ৭০ হাজার মহিলা কর্মীকে কাজে লাগানো হবে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের ৭০ হাজার বুথে একজন করে মহিলা কর্মী সেই বুথের ২০ জন মহিলার কাছে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ ফরোয়ার্ড করবেন। সেই মেসেজে থাকবে রাজ্যের উন্নয়নে গত ১০ বছরে কী কী পদক্ষেপ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার সচিত্র পরিসংখ্যান। পিডিএফের আকারে সেই পরিসংখ্যান ছড়িয়ে যাবে প্রত্যেক বুথের মহিলাদের কাছে।
একই ভাবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও দিলীপ ঘোষদের নির্দেশ, দলের আইটি সেলকে আরও শক্তিশালী করে ডিজিটাল প্রচারের প্রস্তুতিও নিতে। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামের মত প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বাড়নো এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল ভালো ভাবে তুলে ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ এর পাশাপাশি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ধারবাহিক প্রচারের মাধ্যমে বাংলার বিভিন্ন রাজনৈতিক সংঘর্ষে খুন-জখমের ঘটনাকে তুলে ধরার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close