fbpx
কলকাতাহেডলাইন

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কবে খুলবে? কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে করোনা সংক্র্মণে লাগাম পড়াতে একটানা দু মাস ধরে লকডাউন চলছে। যার ফলে বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। অনলাইন ক্লাস চলছে ঠিকই, কিন্তু পরীক্ষা কবে হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দিন পিছিয়ে গিয়েছে। ফলে কবে হবে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা, তা নিয়ে ধন্দ বাড়ছে। পরীক্ষার সূচি সম্পূর্ণভাবে নির্ধারণ করবে বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এ নিয়ে এদিন উপাচার্য পরিষদ বৈঠকে বসেছে বলেও জানান তিনি। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের হাতে নির্দিষ্ট কোনও গাইডলাইন নেই। তিনি আলাদা আলাদা করে অনেক উপাচার্যের সঙ্গে কথা বললেও এদিনের বৈঠকেই মূল আলোচনা হবে। ঠিক হবে সিবিসিএস পদ্ধতি মেনে কীভাবে পরীক্ষা নেওয়া যায়। একইসঙ্গে আমফানে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের গাছ নষ্ট হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে নতুন করে গাছ লাগানোর আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

লকডাউন ঘোষণার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, স্নাতক বা স্নাতকোত্তরের বিভিন্ন সেমেস্টারের পড়ুয়াদের পরীক্ষা ছাড়াই পরের সেমেস্টারে উত্তীর্ণ করে দেওয়া হবে। শুধু ফাইনাল সেমেস্টারের পরীক্ষা নেওয়া হবে। কিন্তু কবে সেই পরীক্ষা গ্রহণ হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছিল।প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই ঘোষণা করেছেন ১০ জুন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ থাকবে। এটাই ঠিক ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। আমফানে বিধ্বস্ত বাংলা। ৩০ জুন অবধি স্কুলগুলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নেবে বলে জানান পার্থবাবু। তবে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির হার মানবিকভাবে বিচার করার আবেদন জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

আরও পড়ুন: শুধুই ভোটব্যাঙ্কের বোড়ে, মুসলিম শ্রমিকদের ফেরানোর চেষ্টা করছেন না দিদি: দিলীপ ঘোষ

একইসঙ্গে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিরোধীদেরও তুলোধনা করেন। তাঁর কথায়, ‘অনেকেই ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছেন। রাজ্যের ভাল কাজের কোনও প্রশংসা নেই। শুধু মিথ্যা প্রচার করে যাচ্ছে।’ পার্থবাবুর আক্ষেপ, ‘কয়েকজন রাজ্যে কত গাছ পড়ল স্রেফ তার হিসেব কষছেন। কিন্তু কতজন মানুষ মারা গেলেন, তাদের পাশে কীভাবে দাঁড়ানো যায়, তা নিয়ে বিরোধীদের মাথাব্যথাই নেই।’ এদিন শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন, ‘উমফান ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যের বহু কলেজের অনেক ক্ষতি হয়েছে। সেই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা।’ গ্রামাঞ্চলে অনেক কলেজে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে গাছ পড়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, যে সব গাছ পড়ে গিয়েছে সেগুলিকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে হবে। একান্তই বাঁচানো না গেলে একটি বদলে একটি গাছ রোপন করতে হবে। তবে সেকাজ এখনই না করলেও পর করতে হবে। এই ব্যাপারে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে এখন থেকেই পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

 

Related Articles

Back to top button
Close