fbpx
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ছাত্রনেতা আনিসের খুনে ‘পুলিশ’-এর পোশাক পরে এল কারা! তারই উত্তর খুঁজছে পুলিশ

দোষীদের শাস্তির দাবিতে উত্তপ্ত হল কলকাতার রাজপথ

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্কঃ আমতার ছাত্র নেতা আনিস খান খুনের ঘটনায় এখনও দ্বন্দ্বে পুলিশ। ‘পুলিশ’ এর বেশে এসে বাড়িতে ঢুকে এই ছাত্রনেতাকে মারল কে তার উত্তর খুঁজছে পুলিশ। হাওড়ার আমতায় আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র, ছাত্র নেতা আনিস খান খুনের ঘটনায় ক্রমশই বাড়ছে রহস্য। এদিকে ছাত্রনেতা খুনের প্রতিবাদে আন্দোলনে শামিল যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়য়া। পার্ক সার্কাসে সেভেন পয়েন্ট ক্রশিং কিছুক্ষণের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ গিয়ে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনে।

উল্লেখ্য, ২৮ বছর আনিস খান  আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ছিলেন। এর আগে বাগনান কলেজে পড়ার সময় এসএফআই করতেন আনিস। এরপর আইএসএফে যোগ দেন তিনি। আনিসের পরিবারের অভিযোগ শুক্রবার গভীর রাতে ৪ জন তাঁদের বাড়িতে আসেন। আমতা থানা থেকে এসেছেন বলে জোর করেই বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়ে তারা। তাঁদের একজন পুলিশের পোশাকে ছিলেন। বাকি ৩ জন সিভিক ভলান্টিয়ারের পোশাকে। তাঁরা বলেন, পুরনো মামলায় আনিসকে গ্রেফতার করতে এসেছেন। রাজনীতির করার সময় থেকে অনেকটা সময় বাড়িতে আসেননি আনিস। দু’তিনদিন আগে আমতার সারদা দক্ষিণ খাঁপাড়ার বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। এলাকায় জলসা দেখে ফিরে তিনতলার ঘরে ছিলেন আনিস। ওই ৪ জন বাড়ি ঢুকে তিনতলায় চলে যান। সেখান থেকেই আনিসকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি খুন করার পর তারা বলে ‘কাজ  হয়ে গিয়েছে’। স্থানীয়দের দাবি আনিস খান সবসময়ই এলাকার মানুষের পাশে থাকতেন। এলাকার প্রতিবাদী মুখ ছিলেন তিনি। ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে থানা থেকে জানানো হয়েছে, কোনও পুলিশ কর্মী আনিসের বাড়ি যায়নি।

আনিসের বাবা থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিকে ছাত্রনেতা খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক একটি চক্রান্তের অভিযোগের তত্ত্বও উঠে আসছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে আনিস খান নিজের গ্রামে একটি রক্তদান শিবির করতে চেয়েছিল। কিন্তু তৃণমূলের লোকজন তাতে বাধা দেয়। এই অভিযোগ নিয়ে আমতা থানায় অভিযোগও জানিয়েছিলেন আনিস। প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে, ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে খুন করা হয়েছে তাঁকে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কারা পুলিশের পোশাক পরে আনিসের বাড়িতে গিয়েছিল, তার তদন্ত শুরু হয়েছে।

স্থানীয়দের একাংশ জানিয়েছেন, মৃত আনিস খান এলাকায় আইএসএফের সংগঠন বাড়ানোর চেষ্টা করছিল।

এদিকে এই ছাত্রনেতা খুনের ঘটনায় বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ থাকল কলকাতার রাজপথ। কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকা এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। পার্কসার্কাস এলাকা সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে যায়।

Related Articles

Back to top button
Close